প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:১৪ পিএম (ভিজিট : ২১৪)

X
গোয়ালন্দে গত রোববার সকালে পদ্মা নদী থেকে মাথাবিহীন জিহাদ সরদারের দেহ উদ্ধার করা হয়। এর তিন দিন পার হলেও তার মাথা পাওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
এ ঘটনায় গত সোমবার গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলাটি করেন নিহতের বাবা সহিদ সরদার। তিনি উদ্ধার হওয়া লাশটিকে তার ছেলে জিহাদ সরদারের বলে দাবি করেন। তাদের বাড়ি উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের কাচরন্দ গ্রামে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও জিহাদের চাচাতো ভাই সোহাগ সরদারকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বাবার নাম বাবলু সরদার। মামলার অপর দুই আসামির মধ্যে স্থানীয় হারেজ বেপারীর ছেলে হৃদয় (২৪) ও এক নারী রয়েছেন।
লাশের মাথা মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। তবে পরনের পোশাক ও শরীরের বিভিন্ন চিহ্ন দেখে লাশটিকে নিখোঁজ জিহাদের বলে দাবি করে তার পরিবার।
নিহত জিহাদ নারায়ণগঞ্জের একটি জাহাজ মেরামত কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার বিকালে তিনি বাড়িতে এসে সন্ধ্যার পর হতে নিখোঁজ হন। শুক্রবার গোয়ালন্দ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নারীর সঙ্গে জিহাদের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। হৃদয় ও সোহাগ নামে স্থানীয় দুই যুবকের সঙ্গেও ওই নারীর সম্পর্ক গড়ে উঠে।
গত বৃহস্পতিবার বিকালে জিহাদ কর্মস্থল হতে বাড়ি ফিরে ওই দিন গভীর রাতে নারীর সঙ্গে দেখা করতে যায়; কিন্তু হৃদয়, সোহাগসহ কয়েকজন মিলে জিহাদকে ধরে নদীর পাড়ে নিয়ে হত্যা করেন। তবে গ্রেফতার সোহাগ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার লাশটি নিখোঁজ জিহাদের বলে তার পরিবার শনাক্ত করলেও তারা শতভাগ নিশ্চিত হওয়ার জন্য নিহতের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠিয়েছে।