শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু

মাগুরা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রথমদিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় মাগুরার

2025-05-12T19:12:51+00:00
2025-05-12T19:12:51+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু
মাগুরা প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ৭:১২ পিএম   (ভিজিট : ১৩২)
X

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রথমদিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় শেষ হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণ ও আসামি পরীক্ষার শুনানি শেষ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার আজকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার বিভিন্ন তথ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন। প্রথমদিন কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) আবারো যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হয়েছে। এর আগে সকালেই মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিটু শেখসহ সব আসামিকে ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে মাগুরায় আনা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল বলেন, মাগুরার চাঞ্চল্যকর আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের দিন ধার্য ছিল। আদালতে সকালে এই বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। এই মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলাটিতে সাতটি জব্দ তালিকা ছিল। এই সাতটি জব্দ তালিকায় ১৬ জন সাক্ষী ছিল। যার মধ্যে ১২জন সাক্ষী হুজুরের আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণসহ সাক্ষ্য দিয়ে তাদের জব্দ তালিকাকে সত্যায়ন করেছেন।  এবং জব্দকৃত আলামতকে আদালতে সত্যায়ন করেছেন। এই মামলায় তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেট ছিল। পাঁচ ডাক্তার মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করেছিলেন। তারা ইতোমধ্যে হুজুরের আদালতে সাক্ষী দিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেটকে সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন। এবং মেডিকেল সার্টিফিকেটে তারা তাদের স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

সর্বোপরি এ মামলায় ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়ে হুজুরের আদালতে  আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে ২০০০ সালে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধিত আইন ২০০৩ এর ৯ এর দুই ধারাকে  সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সম্পূর্ণ রূপে সক্ষম হয়েছেন।

সাক্ষী হামিদাকে এ তথ্য ফাঁস করলে খুন করা হবে বলে হুমকি দেন আসামি সজীব এবং রাতুল। সুনির্দিষ্টভাবে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিয়ে ৫০৬ এর দ্বিতীয় অংশের অপরাধকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সম্পূর্ণ রূপে সক্ষম হয়েছেন।

এ মামলার আসামি জাহেদা যিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন,  আছিয়াকে নির্যাতন করা হয়েছে সে কথা জানার পরও তিনি সেই কথাটি গোপন রেখে একটি নাটক সাজিয়ে আছিয়াকে জিনে ধরেছে তাকে হুজুরের কাছে নিতে হবে বলেছেন। তেল পানি পড়া দিতে হবে এই জন্য তিনি তাকে হুজুরের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। হুজুরকে তেল, পানি পড়া দিতে অনুরোধ করেছিলেন। সেটি বুমেরাং হয়েছে।  

দেলোয়ার  হুজুর তাকে বলেছেন এটা এখানে চিকিৎসা করার বিষয় নয় আপনি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। আসামি জাহেদা এই মামলার তথ্য গোপন করে দণ্ডবিধির ২০১ ধারা অপরাধকে সংঘঠন করেছেন। সাক্ষীরা সেই সংগঠিত অপরাধের সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে।  

সাক্ষীরা এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ রূপে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন বিধায় আমরা হিটু শেখকে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধিত ২০০৩ এর ৯ এর দুই ধারা সর্বশেষ সাজা মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছি। আসামি সজীব ও রাতুল তাদের বিরুদ্ধে ৫০৬ এর দ্বিতীয় অংশের অভিযোগ সম্পূর্ণ রূপে প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ধরার সর্বোচ্চ সাজা আদালতে আমরা প্রার্থনা করেছি।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy