প্রকাশ: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫, ৩:২৩ পিএম (ভিজিট : ১৮৭)

X
কাকরাইল মসজিদ মোড়ে অবস্থান নেওয়া চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কাকররাইল মসজিদ মোড়ে অবস্থান নেওয়া চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদে সরে যাওয়ার আহবান জানায় পুলিশ। কিন্তু সেই আহ্বানে তারা সাড়া না দিলে বেলা সোয়া ১২টার দিকে পুলিশ জলকামানের পানি ও কমপক্ষে ৬টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশসহ আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজন আহত হয়। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজনকে আটকও করতে দেখা যায়। পরে পুলিশ ধীরে ধীরে আন্দোলনকারীদের মৎস্যভবনের দিকে নিয়ে যায়।
সাবেক বিডিআরের সদস্য বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ ঘটিয়েছে শেখ হাসিনা ভারতের সৈনিক দিয়ে। আর দোষ চাপানো হয়েছে নির্দোষ বিডিআর সদস্যদের ওপর। আমরা আমাদের দাবিতে অনড়। আমাদের দাবি না মানা হলে আন্দোলন থেকে সরে আসবো না।
সাবেক বিডিআর সদস্যের এক স্বজন বলেন, আমরা চাই অন্যায়ভাবে যাদের জেলখানায় আটকে রাখা হয়েছে তাদের ছেড়ে দেওয়া হোক। অনেকের সাজা শেষ হয়ে গেছে তারপরও তাদের ছাড়া হচ্ছে না। যাদের এখনো চাকরির বয়স রয়েছে তাদের যেন যথাযথ সম্মানে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর পিলখানা হত্যাকাণ্ড কেন ঘটল এর সুষ্ঠু একটি বিচার হোক এর পেছনে কারা কারা রয়েছে তা বের করে আনা হোক জাতির সামনে।
আরেক আন্দোলনকারী বলেন, বাহিনীর কিছু মাথাকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা এই হত্যাকাণ্ডের নীল নকশা আঁকেন। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একদিকে ধ্বংস করা হয়েছে সেনাবাহিনীকে অন্যদিকে ধ্বংস করা হয়েছে বিডিআরকে। আমাদের চাকরি পূর্ণবহাল না করা হলে আমরা আন্দোলন থেকে সরে আসবো না। সাজাপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্যদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
সাবেক বিডিআরের সদস্য বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ ঘটিয়েছে শেখ হাসিনা ভারতের সৈনিক দিয়ে। আর দোষ চাপানো হয়েছে নির্দোষ বিডিআর সদস্যদের ওপর। আমরা আমাদের দাবিতে অনড়। আমাদের দাবি না মানা হলে আন্দোলন থেকে সরে আসবো না।
চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের ছত্রভঙ্গ করার আগে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি যমুনায় পাঠানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের কাকরাইল মসজিদ থেকে সরে যেতে ১০ মিনিটের আল্টিমেটাম দেন।