জলাবদ্ধতার স্থান চিহ্নিত করায় বর্ষায় বড় আকারে জলাবদ্ধতা হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, জলাবদ্ধতার স্থান ও কারণ চিহ্নিত করে কাজ করার ফলে

2025-09-12T21:23:19+00:00
2025-09-12T21:23:19+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
জলাবদ্ধতার স্থান চিহ্নিত করায় বর্ষায় বড় আকারে জলাবদ্ধতা হয়নি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:২৩ পিএম   (ভিজিট : ১৪৬)
X

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, জলাবদ্ধতার স্থান ও কারণ চিহ্নিত করে কাজ করার ফলে এ বছর বর্ষায় বড় আকারে কোনো জলাবদ্ধতা হয়নি। ‘ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএনসিসির উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রশাসক এজাজ এ কথা বলেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটির নগর ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ আরও বলেন, এ বছর রেকর্ড বৃষ্টিপাতের পরও জলাবদ্ধতার স্থান ও কারণ যথাযথভাবে চিহ্নিত করে কাজ করা এবং গত ছয় মাসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯৬ কিলোমিটার খাল খনন ও ২২০ কিলোমিটার নালা পরিষ্কারের ফলে নগরের প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিমানবন্দর এলাকায় কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকায় জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব প্রকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত, বিশেষ করে জলাধার পুনরুদ্ধার না হলে, স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আপাতত ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার অস্থায়ী সমাধান করা হয়েছে।

মাত্র ছয় মাসের মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ কীভাবে সম্ভব হয়েছে, এর ব্যাখ্যা দিয়ে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘রাইট পারসন রাইট জায়গায় যদি থাকে, তাহলে ঠিকভাবে কাজ করা যায়। যেহেতু আমি দীর্ঘদিন, দুই দশকের কাছাকাছি সময় ধরে পানি নিয়ে কাজ করেছি, ঢাকা নিয়ে কাজ করেছি, আমি এক্সাক্টলি জানি, কোন পয়েন্টে কোন কাজটা করতে হবে।’ এভাবেই তিনি কাজ করেছেন এবং এ কাজে সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ ও অন্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁকে সহযোগিতা করেছেন বলেও জানান তিনি।

মোহাম্মদপুরে রামচন্দ্রপুর খালের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয়ে মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ৫ আগস্টের পর সেখানে একটি ভবন হয়েছে। বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। জেলা প্রশাসন, রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) ও সিটি করপোরেশন মিলে এ বিষয়ে একটি যৌথ জরিপ দল গঠন করা হয়েছে। জরিপের পর খালের এক ইঞ্চি জায়গাও ছাড় দেওয়া হবে না, উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান তিনি। এসব কার্যক্রমকে প্রাথমিক সমাধান উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রকৌশল, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ মিলে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধানমন্ডি, নাখালপাড়া, কাজীপাড়া-শেওরাপাড়া, মিরপুর, কালশী, বিমানবন্দর এলাকাসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে খাল খনন, নালা নির্মাণ ও পানিনিষ্কাশনের নতুন পথ তৈরি করা হচ্ছে।

ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন বলেছেন, জলাবদ্ধতার মূল কারণ হলো নালায় পলিথিন, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন আবর্জনা ফেলা। এর ফলেই মূলত জলাবদ্ধতা হয়।

ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম বলেন, আমাদের প্রবণতা হচ্ছে খালে যেকোনো কিছু ফেলে দেওয়া। এই প্রবণতা থেকে সরে আসতে হবে। খাল রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। খালে বর্জ্য ফেলা অব্যাহত থাকলে খাল আবারও ময়লা-আবর্জনায় ভরে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম, প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা  মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান, বিভিন্ন অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারাগণ উপস্থিত ছিলেন।





Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy