প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:১০ পিএম (ভিজিট : ২৬৬)

X
বর্তমান সরকার কর্তৃক ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণার পর অন্যান্য সংসদীয় আসনের মতো নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী দেশের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী বেবী নাজনিন, সাবেক সংরক্ষিত মহিলা এমপি বিলকিস ইসলাম, সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব গফুর সরকার, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম জনি, বিএনপি নেতা শওকত হায়াত শাহ্, বিএনপির সাবেক এমপি মরহুম আমজাদ হোসেন সরকারের ছেলে সদ্য দলের বহিস্কাদেশ প্রত্যাহারকৃত নেতা রিয়াদ আরফান সরকার রানা, কৃষিবীদ পারভিন আক্তারসহ কয়েকজন নির্বাচনী এলাকায় গণ-সংযোগ শুরু করেছেন।
বিশেষ করে ভজেপুত্র রিয়াদ আরফান সরকারের বিএনপির বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় তা যেন নির্বাচনী মাঠের আলোচনার আড্ডাগুলোতে নতুন মাত্রা পেয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-আচরণ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ উঠান বৈঠক, সভার মাধ্যমে এ গণ-সংযোগ কার্যক্রম দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সৈয়দপুর উপজেলার আমির হাফেজ মোঃ মুনতাকিমকে মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ইতিমধ্যে ঘোষণা দেওয়ায় তিনিও দলের নেতা-কর্মিদের নিয়ে গণ-সংযোগ কার্যক্রম জোরেশোরে চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যান্য দলের কে কে গণ-সংযোগ চালাচ্ছেন তা জানতে আগ্রহী না হলেও জামায়াতের প্রার্থী ঠিক থাকায় বিএনপির মনোনয়ন কে পেলে ভালো হবে ?
তা নিয়ে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন মহলসহ আড্ডাগুলাতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে আদৌ নির্বাচন হবে কি-না ? তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও বিশেষ করে বিএনপি দলীয় কে? এ আসন পেলে ভালো হবে? সেটাই এখন আলোচনার মূখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব আলোচনায় কেউ-কেউ মন্তব্য করছেন যে, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী বেবী নাজনীন কখনও এমপি হননি।
শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে বেবী নাজনীনকে ঢাকায় নিয়ে যান এবং তার কোকিল কন্ঠে গান শুনে ব্লাক ডায়মন্ড উপাধি দিয়ে ধর্ম মেয়ে হিসাবে গ্রহণ করেন। তাই, বেবী নাজনীন এমপি নির্বাচিত হলে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারবেন এমন মন্তব্য করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবেক সংরক্ষিত নারী এমপি বিলকিস ইসলামকেও নিয়ে আড্ডাগুলোতে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। বিলকিস ইসলাম অভিজ্ঞ এবং তিনি এমপি নির্বাচিত হলে কোথায় কি উন্নয়নমূলক কাজ করতে হবে ? সে সম্পর্কে ভালো ধারণা রয়েছে। আর বেশী আলোচনা হচ্ছে সাবেক এমপি মরহুম আমজাদ হোসেন সরকারের ছেলে বিএনপি থেকে সদ্য বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া রিয়াদ আরফান সরকার রানাকে নিয়ে। কারণ হিসাবে আলোচনাগুলোতে মন্তব্য করা হচ্ছে মরহুম আমজাদ হোসেন সরকারের জনপ্রিয়তার কারণে গত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দল থেকে বহিস্কার হলেও সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। কজেই তার বহিস্কাদেশ তুলে নেওয়ায় যদি দল থেকে তিনি মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থী হন তাহলে দলের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনতে পারবেন এমন আলোচনা-সমালোচনা আড্ডাগুলোতে বেশী চলছে। এছাড়া ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের কর্মকান্ডও মানুষজন বিশ্লেষন করে বিভিন্ন মন্তব্য করা হচ্ছে আলোচনার আড্ডাগুলোতে।