নির্বাচন কমিশন কেকের মতো ভাগাভাগি হয়ে গেছে: হাসনাত

বরগুনা প্রতিনিধি

জাতীয়

নির্বাচন কমিশন কেকের মতো ভাগাভাগি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন হাসনাত

2025-11-01T18:51:27+00:00
2025-11-01T18:51:27+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
নির্বাচন কমিশন কেকের মতো ভাগাভাগি হয়ে গেছে: হাসনাত
বরগুনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫১ পিএম   (ভিজিট : ১৪৮)
X

নির্বাচন কমিশন কেকের মতো ভাগাভাগি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে অনেকগুলো পক্ষের শক্তি জড়িত। ৫ আগস্টের পর যখন নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে তখন বিএনপি বলেছে আমাদের পক্ষ থেকে একজন, জামায়াতের একজন ও সেনাবাহিনী থেকেও এখানে একজন দেওয়া হয়েছে। এটাকে কেকের মতো ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশন তাদের পারপাস সার্ভ করছে। সংস্কার নিয়ে মার্কা নিয়ে আমরা সব সময় একটা অবস্থানে ছিলাম এখনও সেই অবস্থানে আছি। 

আজ শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে বরগুনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপি আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।  

শাপলা প্রতীক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কোনো নীতিমালা নেই। কোন নীতিমালার অধীনে এখন শাপলা কলি প্রতীক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে, কোন নীতিমালার অধীনে শাপলা অন্তুর্ভুক্ত হবে না সেটি এখনো স্পষ্ট করেনি। কোন নীতিমালার অধীনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে মার্কা দিয়েছে সেটাও স্পষ্ট করেনি। তার মানে এই নির্বাচন কমিশনের এই মার্কা অন্তর্ভূক্তিকরণ বা না-করণের সিদ্ধান্ত স্বেচ্ছাচারী।

শাপলা প্রতীক বরাদ্দ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারিতা ও ব্যক্তিস্বার্থের প্রকাশ দেখেছি। শুরু থেকেই বলেছি নির্বাচন কমিশনের কোনো স্পষ্ট নীতিমালা নেই। তারা কোন নীতির আলোকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করেছে, সেটা পরিষ্কার করেনি। আবার কোন নীতির কারণে অন্য দলগুলোকে প্রতীক দিয়েছে, তারও ব্যাখ্যা দেয়নি। এটি আসলে এক ধরনের গোয়ার্তুমি ও স্বেচ্ছাচারিতা। আমাদের ধারণা, নির্বাচন কমিশনের পেছনে বিভিন্ন পক্ষের প্রভাব রয়েছে। কমিশন যেভাবে গঠিত হয়েছে, সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ। ৫ আগস্টের পর থেকেই আপনারা দেখেছেন কী প্রক্রিয়ায় কমিশন গঠন করা হলো। এখানে বিএনপি পক্ষ থেকে একজন, জামায়াত পক্ষ থেকে একজন, আর্মি পক্ষ থেকেও একজন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, কমিশনকে কেকের মতো ভাগাভাগি করে নেয়া হয়েছে। বিএনপি ঘনিষ্ঠ কমিশনাররা বিএনপির স্বার্থে কাজ করছেন, জামায়াতপন্থীরা জামায়াতের, আর আর্মিপন্থীরা আর্মির স্বার্থে। আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তাও সেখানে রয়েছেন, তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। দিন শেষে আমরা এনসিপি আমাদের অবস্থানে অটল ছিলাম। আমরা কখনো অবস্থান পরিবর্তন করিনি। বরং নির্বাচন কমিশনই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে।

বিএনপি অভিযোগ করেছে জাতীয় ঐক্যমত কমিশন জুলাই সনদের মাধ্যমে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং তারা ওই সনদে পরিবর্তন এনেছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা বারবার বলেছিলাম, জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার আগে সেটি আমাদের দেখতে হবে। তারা কেন না দেখে স্বাক্ষর করলেন সেটা তাদেরই দেখা উচিত ছিল। আমরা শুরু থেকেই বলেছি, জুলাই সনদ এবং তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে, তারপরই স্বাক্ষর করা সম্ভব। কে জুলাই সনদ ঘোষণা করবেন, সেটিও আগে নিশ্চিত করে অর্ডার জারি করতে হবে। আমরা অবিবেচকের মতো স্বাক্ষর করিনি। আমাদের বিরুদ্ধে বলা হয়েছিল, আমরা নাকি সংস্কারের বিষয়ে পিছিয়ে দিতে চাই এটি সম্পূর্ণ ভুল। আমরা কেবল বলেছিলাম, সনদ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া স্পষ্ট না হলে আমরা স্বাক্ষর করবো না। এখন জুলাইয়ের ‘কনসেনশন কমিশন’ বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে।





Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy