প্রকাশ: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪২ এএম (ভিজিট : ২৬৬)

X
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মজিবুর রহমান এর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যে ও অভিনব কৌশলে মিষ্টি খাওয়ার কথা বলে টাকা চেয়ে একাধিক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, তারাকান্দা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর না করার অভিযোগ তুলেছেন একাধিক ভুক্তভোগী সেবা গ্রহীতারা।
উপজেলা ভূমি অফিস কেন্দ্রিক কানুনগোর আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ভূমি অফিসে কর্মরত কানুনগো, নাজিরের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্যে ভূমি মালিকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন কাঙ্খিত চাহিদা অনুযায়ী ঘুষ না দিলে কোন টেবিল থেকেই ফাইল ছাড়েনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা। কানুনগো মজিবর রহমানের কাছ থেকে টাকা ছাড়া কোন ফাইল সরেনা। কানুনগো মুজিবুর রহমানের ঘুষ বাণিজ্য অতিষ্ট উপজেলা বাসি।
সরকারের নিয়ম বহিরভূত জমিতে ত্রুটি থাকলেও অর্থের বিনিময়ে ওই সকল খাজনা-খারিজ প্রদান করা হচ্ছে যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
উল্লেখ্য বিষয়, সাম্প্রতিক সময়ে তারাকান্দা উপজেলায় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অবৈধ করাত কলের উপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে, তারাকান্দা সহকারী কমিশনার ভূমি এস এম নাজমুল ছালেহীন ৮টি করাত কল সিলগালা করে দিয়ে আসেন।
পরবর্তী সময়ে করাত কলের মালিকগণ কাগজপত্র ঠিক করে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদনা করেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি করাত কলের আবেদনের প্রত্যয়ন পত্র দেওয়া হয়েছে উৎকোচের মাধ্যমে। তারমধ্যে নাজিবা সমিলের আবেদন প্রত্যয়ন পত্রটি অজানা কারণে আটকে রেখেছে কানুনগো।
উক্ত বিষয়টি নিয়ে উপজেলা কানুনগো মজিবুর রহমান জানান, ভাই মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিতে হবে।
গত তিনদিন পূর্বে সরকারি গাছ কর্তন করা হয়েছে বিষয়টি তারাকান্দা ইউনিয়ন সরকারি ভূমি কর্মকর্তা অজিত শাহকে জানানোর পরে নেওয়া হচ্ছে না কোন পদক্ষেপ।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নাজমুল ছালেহীন সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান ,ফাইল আমার টেবিলে আসে নাই, আসলে সই করে দিবো।