সাতক্ষীরা-৩ (কালীগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডাঃ শহিদুল আলমের কর্মী সমর্থক ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। অধ্যাপক ডাক্তার শহিদুল আলম মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় এবং পূনর বিবেচনার মাধ্যমে তার মনোনয়ন দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেন।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকালে আশাশুনি উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সাতক্ষীরা খুলনা মহাসড়কের কালীগঞ্জের নলতায় সড়ক অবরোধ করে হরতাল কর্মসূচি পালন করে দলীয় নেতাকর্মী ও মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যাপক ডাক্তার মো: শহিদুল আলমের কর্মী-সমর্থকরা। এবং বিকেলে কালীগঞ্জে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করে তার মনোনয়ন দাবী করেন কয়েক হাজার বিএনপি'র নেতা কর্মী ও সমর্থকরা
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে আশাশুনি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জনতা ব্যাংক মোড়ে অবস্থান নেয়।
এসময় আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাহিদুজ্জামান সবুজের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলী, শাহরিয়ার জামান, এস এম খালিদুজ্জামান টিপু, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন প্রিন্স, বড়দলের সদস্য সচিব আলী আজগর, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, সরদার মোঃ রুহুল আমিন, ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম প্রমুখ।
বক্তারা সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের মনোনয়ন বাতিল করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডাক্তার মো: শহিদুল আলমকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তারা বলেন, শহিদুল আলম মনোনয়ন না পেলে আসনটি বিএনপি নিশ্চিত ভাবে হারাবে। অন্যথায় বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা। বক্তারা আরোও বলেন শহিদুল আলম সুখে দুঃখে মানুষের পাশে ছিলেন। তিনি ছিলেন গরিবের ডাক্তার। কাজী আলাউদ্দীনকে বাদ দিয়ে দল মত নির্বিশেষে ডাঃ শহিদুল আলমকে মনোনয়ন দেওয়ার আহবান তাদের।