প্রকাশ: সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৩৭ পিএম আপডেট: ১০.১১.২০২৫ ৩:১৮ পিএম (ভিজিট : ১৪৮)

X
রাতভর তল্লাশি অভিযান চালিয়েও রূপসা ঘাটে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ মহিদুল হক মিঠুর (৪০) সন্ধান মেলেনি। গতকাল রাতে পারাপার ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে তিনি নিখোঁজ হন।
তাকে উদ্ধারে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নৌ পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
নিখোঁজ মিঠু রূপসা উপজেলার তালিমপুর গ্রামের মৃত মাহমুদুল ইসলামের ছেলে। তিনি খুলনা মহানগরীর সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এডমিন অফিসার পদে চাকরি করতেন।
সূত্র জানায়, রোববার রাতে অফিস করে বাসায় করেছিলেন মহিদুল হক মিঠু। রূপসা ঘাটের একটি ট্রলারে অতিরিক্তি যাত্রী ছিল। রাত ১১টার দিকে পশ্চিম প্রান্ত থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রলারটি পূর্ব প্রান্তে ভেড়ানোর সময় ট্রলার মাঝি খুব স্পিডে চালিয়ে এসে আকস্মিক মোড় নেয়। এতে ঝোক সামলাতে না পেরে কয়েকজন যাত্রী পানিতে পড়ে যায়। যাত্রীদের অনেকেই নদী থেকে উঠতে পারলেও মিঠু তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে পূর্ব রূপসা বাস স্ট্যান্ড ফাঁড়ি পুলিশ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী রাতভর তল্লাশি অভিযান চালায়। আজ সোমবার সকাল ৭টা থেকে যুক্ত হয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরী দলের তল্লাশি অভিযান।
খুলনা সদর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর টিম লিডার শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের টিম বিভিন্নস্থানে এই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।
বিকালে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত ছিল। এদিকে তার পরিবারের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। তল্লাশি অভিযান দেখতে রূপসা ঘাটের পূর্বপাড়ে অসংখ্য মানুষের ভিড় জমেছে।
জানতে চাইলে নৌ পুলিশ রূপসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, নিখোজ ব্যক্তির সন্ধানে আমরা রুপসা ব্রিজ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু নদীতে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিশানে নৌ পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় ডুবুরি এবং কোস্টগার্ড সহায়তা করছে।
তিনি আরো বলেন, রাত হলে অধিক টাকা লাভের আশায় ট্রলার মাঝিরা নৌকায় অনেক যাত্রী তোলেন যে কারণে এ ধরনের বিপদ জয় ঘটে। তবে ঘটনার পর থেকে টলার মাঝি পলাতক রয়েছে।