প্রকাশ: সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:২৩ পিএম (ভিজিট : ৭০)

X
রংপুর সিটি বাজার সংলগ্ন প্রধান সড়কের জায়গায় জনবহুল এরাকায় বর্জ্য ডাম্পিং করাটা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফেলা এই বর্জ্যরে কারণে সেখানকার পরিবেশ দূষণ হলেও এ নিয়ে কারো মাথাব্যাথা নেই। অনেকটা অনেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখালেও তাতে কেউ কেউ সয়ে গেছে। সিটি করপোরেশনও দেখেও দেখছেনা। অথচ মহাসড়ক আইনে তা আইন বর্হিভূত।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত এটি রংপুর নগরীর প্রধান বাজার । এটি ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের নগর ভবনের পাশে অবস্থিত। এখানে শাকসবজি, ফলমূল, মাছ মাংস হার্ডওয়্যারসহ সকল প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা বেচা হয়ে থাকে। শত শত ব্যবসায়ী এসব ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রতিদিন আনুমানিক ১ টন বর্জ্য বের হয়। বাজারের দোকানদারের জমে থাকা বর্জ্যের পুরোটাই সিটি বাজারের সামনে নগরীর প্রধান সড়কে ফেলা হচ্ছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। অনেকে জানেিয়ছেন, প্রধান সড়কের জায়গা গর্তে করে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে স্তুপাকার বর্জ্য থেকে প্রকট দুর্গন্ধ ছড়িয়ে সেখানকার পরিবেশ দুষন করছে। এই ময়লা আবর্জনা ও দুর্গন্ধ থেকে আশেপাশের ব্যবসায়ী, পথচারী ও কতব্যরত ট্রাফিক পুলিশও বাদ যাচ্ছে না।
ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছেন, বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলা দুর্গন্ধ থেকে আমরা টিকতে পারছিনা। বাধ্য হয়ে মাস্ক পড়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন আশেপাশের ব্যবসায়ী ও বাজার আসা নগরবাসীরা। তাদের দাবি দ্রুত সেখানকার বর্জ্যগুলো অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।
২৩ নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর লিটন পারভেজের সাথে এ প্রসঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, সিটি বাজারের বর্জ্য ফেলার জন্য সেখানকার মুরগিহাটি নামে পরিচিত স্থানে একটি ডাম্পিং স্টেশন করা হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক অজ্ঞাত কারণে তা এখন পর্যন্ত চালু করা সম্ভব হয়নি।
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান জানান, রংপুর নগরীর প্রধান সড়কটি রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে সড়ক বিভাগ এই মহাসড়কের সাথে যুক্ত। এই কারণে নগরীর প্রধান সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা মহাসড়ক আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড। এটি উচ্ছেদে সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এম এ মজিদ এ সংক্রান্ত বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
এ প্রসঙ্গে রংপুর সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক মো. আশরাফুল ইসলাম কথা হয়। তিনি জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।