
X
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় এলজিইডি কর্তৃক দিনব্যাপী ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা শীর্ষক এক প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার সভাকক্ষে চকরিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে রিজিলিয়েন্ট আরবান এ্যান্ড টেরিটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ( আরইউটিডিপি) এর দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কারিগরি বিশেষজ্ঞ মো. নুরুল আমিন তালুকদারের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আরইউটিডিপি এলজিইডি'র সহকারী প্রকৌশলী মো. মোশাররফ হোসেন।
কর্মশালায় আরো উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সাইফুর রহমান, তামান্না সালাম, আর্কিটেক্ট ফারহানা ইসলাম, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার সানিম আরেফিন, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মো. আল আমিন, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মো. জাহিদুল ইসলাম ও টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটি (টিএলসিসি) সদস্য বৃন্দ।
বক্তারা বলেন, (আরইউটিডিপি) বাংলাদেশের নিজস্ব বিনিয়োগ প্রকল্প। বিশ্ব ব্যাংক এর যৌথ অর্থায়নে এলজিইডির অধীনে জুলাই ২০২৪ সাল থেকে জুন ২০৩০ পর্য্যন্ত ৬ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহিষ্ণু উন্নত নগর অবকাঠামো ও সুবিধাদি নির্মিত হবে এবং এর ফলে ৮১ টি পৌরসভা ও ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বসবাসরত ১ কোটি ৭০ লক্ষ জনগণ এবং প্রকল্পের ইন্টারভেনশনস হতে গ্রোথ করিডোর এ বসবাসরত নগর, গ্রামীণ ৪৬ লক্ষ জনগণ উপকৃত হবে।
এছাড়া প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ফুটপাত, সড়কবাতি উন্নয়ন, ড্রেন নির্মান, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাস টার্মিনাল উন্নয়ন, সুপার মার্কেট ব্রীজ ও কালভাট নির্মাণ, পৌরভবন নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত, জলবায়ু সহনশীল নগর পরিসেবা দিক বিবেচনা করে এবং নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে প্রশাসক মো. আতিকুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে চকরিয়া পৌরসভায় আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে।
রাস্তা, ড্রেন, সড়কবাতি, বাজার টয়লেটসহ নাগরিক সেবার উন্নয়ন ঘটবে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে চকরিয়া একটি আধুনিক ও সবুজ পৌরসভা হিসেবে গড়ে উঠবে।
কর্মশালায় চকরিয়া পৌরসভার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের লোকজন, শিক্ষক, ইমাম ও এনজিও-র প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।