প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:১৬ পিএম আপডেট: ২৭.১১.২০২৫ ৪:৩২ পিএম (ভিজিট : ১৫৫)

X
কড়াইল বস্তিতে লাগা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ টি ইউনিট। আর তিনটি ইউনিট পথে রয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে আগুনের খবর পান ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগুন বহু মানুষের জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীদের পাশেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বস্তির বাসিন্দা লাভলী বেগম।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ও ভাই আমার সব পুইড়া শ্যাষ, কিচ্ছু নেই। সাত বছর ধরে এই বস্তিতে আছি। অনেক কষ্টে তিল তিল করে জিনিসপত্র কিনেছিলাম। ঘরে টিভি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র কিনেছিলাম। মাসে মাসে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হয়। এ আগুন আমার সব শ্যাষ করেদিল।’
নাসিমা বেগম নামের কড়াইল বস্তির একজন বাসিন্দা গার্মেন্টসে কাজ করেন। বোনের কাছ থেকে ফোনে খবর পেয়ে গার্মেন্টস থেকে ছুটি নিয়ে তিনি দৌড়ে বস্তিতে আসেন।
তিনি জানান, শুনেছি আমার ঘর পুড়ে গেছে। সব জিনিস নাকি পুড়ে গেছে। এখন আমি কীভাবে কি করবো বুঝতে পারছি না।
কড়াইল বস্তির বাসিন্দা গার্মেন্টসকর্মী নাসিমা বেগম, বোনের ফোনে খবর পেয়ে দ্রুত বস্তিতে ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুনেছি আমার ঘর পুড়ে গেছে, সব জিনিস শেষ হয়ে গেছে। এখন কীভাবে কি করব, বুঝতে পারছি না।’