প্রকাশ: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:২০ পিএম (ভিজিট : ১৩২)

X
কারাগারের ভেতরে কাশি ও থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে পাগলা হযরতের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও তর্কাতর্কি শুরু হয় রহিদুর মিয়ার। এক পর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরা দিয়ে পাগলা হযরতের মাথায় পরপর বেশ কয়েকবার আঘাত করেন।
জামালপুর জেলা কারাগারে থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই হাজতির সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
নিহত হাজতির নাম মো. পাগলা হযরত (২৫)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা কারাগারের ভেতর সংঘর্ষ বাঁধলে আহত হন তিনি।
নিহত মো. পাগলা হযরত জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের মো. ইমান হোসেনের ছেলে। তিনি বকশীগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ১৪, জিআর মামলা নম্বর ২৪২ (২)-২৫ এর আসামি ছিলেন।
এ ঘটনায় অপর হাজতি মো. রহিদুর মিয়া (৪০) বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর বালুরগাঁও গ্রামের মৃত ছামিউল হকের ছেলে।
কারাগারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে কারাগারের ভেতরে কাশি ও থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে পাগলা হযরতের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও তর্কাতর্কি শুরু হয় রহিদুর মিয়ার। এক পর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরা দিয়ে পাগলা হযরতের মাথায় পরপর বেশ কয়েকবার আঘাত করেন। পরে দায়িত্বরত কারারক্ষী ও অন্যান্য হাজতিরা আহত মো. পাগলা হযরতকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গতকাল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা মোবাইল ফোনে বলেন, ‘মারা যাওয়া পাগলা হযরতের মরদেহ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে ঢাকা জেলা কারাগার। আর অপর হাজতি রহিদুর মিয়া জামালপুর কারাগারে রয়েছেন।’