জাইকা ও এলজিইডির যৌথ উদ্যোগে শেরপুরে এগ্রো বিজনেস সেন্টার

স্টাফ রিপোর্টার, শেরপুর

সারাবাংলা

মহারশি ফ্ল্যাগশিপ ডেভেলপমেন্টে সেচের আওতায় এসেছে ১১০০ হেক্টর জমি। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কৃষকদের পণ্য সংরক্ষণ ও বিপণনের সুবিধার্থে জাইকা

2025-11-29T21:44:05+00:00
2025-11-29T21:47:21+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
জাইকা ও এলজিইডির যৌথ উদ্যোগে শেরপুরে এগ্রো বিজনেস সেন্টার
স্টাফ রিপোর্টার, শেরপুর
প্রকাশ: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৪৪ পিএম  আপডেট: ২৯.১১.২০২৫ ৯:৪৭ পিএম  (ভিজিট : ২০৬)
X

মহারশি ফ্ল্যাগশিপ ডেভেলপমেন্টে সেচের আওতায় এসেছে ১১০০ হেক্টর জমি। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কৃষকদের পণ্য সংরক্ষণ ও বিপণনের সুবিধার্থে জাইকা ও এলজিইডির যৌথ উদ্যোগে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) এর আওতায় এগ্রো বিজনেস সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। 

শনিবার উপজেলার নলকুড়া রাবারড্যাম এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে ওই বিজনেস সেন্টারের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমোহিদি ইচিগুচি। 

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধন করার লক্ষ্যে জাইকা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় কৃষক ও নারীরা উপকৃত হবেন।

অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি সোজি ইজোমি, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম, এলজিইডির ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) এর প্রকল্প পরিচালক মো. সানিউল হক, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দা আসমা খাতুন, শেরপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মহারশি রাবারড্যাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রশীদসহ জাইকা ও এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। 

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন , ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) এর আওতায় মহারশি ফ্ল্যাগশিপ ডেভেলপমেন্টের অংশ হিসেবে উপ-প্রকল্প হিসেবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এগ্রো বিজনেস সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। পৃথক ৩টি প্রকল্পের আওতায় শস্যগুদাম, চাতাল, কৃষি যন্ত্রপাতির ওয়ার্কশপ, ক্রয়বিক্রয় কেন্দ্র ও কৃষি ব্যবস্থাপনা অফিস, ৩টি পাম্প হাউজ, ৩টি হেডার ট্যাংক, সাড়ে ৭ কিলোমিটার ভুগর্ভস্থ সেচ পাইপলাইন, সাড়ে ৩ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক, আড়াই কিলোমিটার খাল পুনঃখনন ও একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এগ্রো বিজনেস সেন্টার প্রকল্পসহ ওই ৩টি প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা। এতে আশপাশের ১ হাজার ৯৩ হেক্টর জমি আবাদের আওতায় এসেছে। এতে উপকৃত হচ্ছেন প্রায় দেড় হাজার কৃষক। এছাড়া এর আগে ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীতে রাবারড্যাম, ফুট ওভার ব্রিজ ও সমিতি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। রাবারড্যাম নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা।

প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হওয়ায় এখানকার কৃষকরা শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারবেন। ফলে প্রকল্পটি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy