প্রকাশ: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৫ পিএম (ভিজিট : ৩৩)

X
সাতক্ষীরা–ভেটখালী মহাসড়ক নির্মাণে অতিরিক্ত জমি ও স্থাপনা উচ্ছেদের আশঙ্কায় ক্ষোভ ও উদ্বেগে স্থানীয়রা।সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালী পর্যন্ত নির্মাণাধীন মহাসড়কের কাজে প্রয়োজনের বাইরে গিয়ে জমি ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়ে আসছেন। পরিকল্পিত নকশার সীমানা অতিক্রম করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে শত শত ব্যবসায়ী ও অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসনসহ একাধিক দপ্তরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহাদৎ হোসেনসহ অনেকেই বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত তুলে ধরেছেন।
আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, “মহাসড়ক উন্নয়ন জাতীয় অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি নিয়ে দোকানপাট ও ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হলে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে। নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী কাজ হলে এ ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।”
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত জমি দেখানোর চেষ্টা করছেন, যা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। ইতোমধ্যে কালিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকা দু’পাড়ের শতাধিক ব্যবসায়ী অনিশ্চয়তায় মালামাল সরানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ভুমিহীন পরিবারগুলোও চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, “নকশা অনুযায়ী মহাসড়ক নির্মিত হবে, কারও ক্ষতির মুখে অতিরিক্ত উচ্ছেদ করা হবে না। প্রয়োজনে পুনরায় সীমানা পরিমাপ করা হবে।”
এলাকাবাসীর আশা—সঠিক তদন্ত ও যাচাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান হবে এবং মূল নকশা মেনে মহাসড়কের কাজ সম্পন্ন হবে, যাতে উন্নয়ন যেমন এগোয়, তেমনি মানুষের জীবন-জীবিকাও নিরাপদ থাকে।