প্রকাশ: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:২৩ পিএম (ভিজিট : ৬৪)

X
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ঠাকুরগাঁওয়ে তারুণ্য উৎসব ও নির্বাচনী সমাবেশে বলেন, গত ১৬ বছরে তরুণরা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আজকের তরুণরা প্রতিবাদে সচেতন এবং শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধরে কাজ করতে প্রস্তুত। বাংলাদেশে যদি রাজনীতি করতে হয় তাহলে তারুণ্যকে ধারণ করে, ইনসাফকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে। এদেশের মাটি ও ভাষাকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে। এদেশে এসেই রাজনীতি করতে হবে। লন্ডনে, দিল্লিতে বা পিন্ডিতে বসে আর কোনো রাজনীতি চলবে না।
তিনি জানান, গত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী কাঠামো শিক্ষা, অর্থ ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। তাই বাংলাদেশকে নতুনভাবে বিনির্মাণের জন্য ইনসাফের প্রতিনিধিদের বিজয়ী করতে হবে। বিশেষ করে ভারতীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইনসাফের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদ করেছে।
ঠাকুরগাঁও উন্নয়নের জন্য তিনি এয়ারপোর্ট চালু, শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত, হাসপাতাল আধুনিকায়ন, কৃষক ও প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিচার স্বাধীনভাবে হবে এবং ভারতের প্রেসক্রিপশন মেনে চলা বন্ধ হবে।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা দেলাওয়ার হোসেন বলেন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত প্রতিনিধি বাছাই করা হবে। জামায়াত প্রার্থী মিজানুর রহমান জানান, ভোট চুরি বা ভয় প্রয়োগের চেষ্টা কোনোরকমে কাজ করবে না। জুলাই আন্দোলনের সংগঠক সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়া দেশের ইনসাফ নিশ্চিত করেছে।
অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের নেতারা ও আসন্ন প্রার্থীরাও অংশ নেন।
কথার পরিসর ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের মাধ্যমে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বার্তা প্রদান করা হয়।