কেরানীগঞ্জে এলিগেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সহকারী শিক্ষক রমজান আলী (৩১) কে গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করলে তাকে আটক করা হয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী পরিবারের সঙ্গে চুনকুটিয়া হিজলতলা এলাকায় বসবাস করে। স্কুলের সহকারী শিক্ষক রমজান আলী বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি ছাত্রীটিকে বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতেন।
গত ২৬ নভেম্বর স্কুল থেকে ফেরার পর শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে তার মা প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়। অবস্থার অবনতি হলে দুইদিন পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) এ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বর্তমানে সে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা শান্তা আক্তার জানান, আমার মেয়ের সাথে যে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটতে পারে, কখনো ভাবিনি। দোষীর কঠোর শাস্তি চাই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই রফিকুল আলম বলেন, অভিযুক্ত রমজান আলীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার জাহিদ জানান, আমাদের স্কুলের কোনো শিক্ষক এ ধরনের কাজ করতে পারে না। স্কুলের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।