সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) গভীর রাতে ফতুল্লার পাগলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার মোঃ নাঈম উল হক সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, হাদি’র উপর হামলা দেশব্যাপী চাঞ্চ্যল্যের সৃষ্টি । হাদি’র উপর হামলার ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১ তৎক্ষনাৎ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জ এর অভিযানে জেলার ফতুল্লা থানাধীন পাগলা এলাকায় অভিযান চালিয়। অভিযানকালে ওসমান হাদি হত্যা চেষ্টাকারী ফয়সাল করিমের ঘনিষ্ট সহযোগী কবির ওরফে দাঁতভাঙ্গা কবিরকে (৩০) গ্রেফতার করে।
কবির ওরফে দাঁতভাঙ্গা কবির পটুয়াখালী সদর উপজেলার টিটকাটা গ্রামের মৃত মোজাফফরের ছেলে। বর্তমানে ঢাকা কেরানীগঞ্জ থানার আশ্বিনানগরে বসবাস করছে।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত কবির (৩০) ওসমান হাদিকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এর অন্যতম সহযোগী। বিভিন্ন মিডিয়াতে আসা সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায় আসামী কবির গত ০৪/১২/২৫ ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে সাথে বেশ কয়েকবার প্রবেশ করে। ঘটনার পরপরেই গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে অভিযুক্ত কবিরসহ ফয়সাল ও আলমগীর গা ঢাকা দেয়। গ্রেফতারকৃত কবির এর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ডিএমপি, ডিবি, ঢাকায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ (শুক্রবার) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় ‘ইনকিলাব মঞ্চের’ আহ্বায়ক এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যপ্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি’কে একটি রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুই জন আততায়ীর এক জন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। আইন-শৃংখলা বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে। তারা হলেন ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান (প্রধান সন্দেহভাজন শুটার) এবং আলমগীর হোসেন (বাইক চালক)।