প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৮ পিএম আপডেট: ১৭.১২.২০২৫ ৬:৩৭ পিএম (ভিজিট : ৫৫)

X
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো:আব্দুল ওয়াদুদ বলেছেন, আবাদি জমি কমে যাওয়ায় সীমিত জমি থেকেই বেশি খাদ্য উৎপাদন এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় এ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন আক্তার রিমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ এ কে এম মনজুরে মাওলা প্রমূখ।
কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বাস্তবতায় হাইব্রিড জাতের ধান একটি কার্যকর সমাধান। হাইব্রিড ধানে রোগবালাই তুলনামূলকভাবে কম হয় এবং ফলন বেশি পাওয়া যায়। তবে ভালো ফলনের জন্য সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার জরুরি। অতিরিক্ত বা কম সার দিলে ফলন ও জমির উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই মাটি পরীক্ষা করে সঠিক সময়ে ও সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। রোগবালাই কম ও উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড ধান চাষে মনোযোগী হই এবং টেকসই কৃষি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ গড়ে তুলি।
কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের রবি মৌসুমে বোরো হাইব্রিড ধান (২য় ধাপ) উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ৯০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ দেওয়া হয়েছে।
এসময় অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) মো: আনোয়ার সাদাত, উপজেলা কৃষি অফিসার সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সরোয়ার হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আলিম, কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।