কাওরানবাজারে অবস্থিত দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে উত্তেজিত ছাত্রজনতা।
ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর অফিসের ভেতরে নারীসহ বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে।
কাওরানবাজারে অবস্থিত দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে উত্তেজিত ছাত্রজনতা।
ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর অফিসের ভেতরে নারীসহ বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে।
শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে বিক্ষুব্ধ একটি দল কারওয়ান বাজারের দিকে যায়। মিছিলটি প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে পৌঁছে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তারা প্রথম আলো কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। গেট ভেঙে রাত ১২টার দিকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে পড়ে টেবিল-চেয়ার ও বিভিন্ন নথিপত্র বাইরে রাস্তায় বের করে নিয়ে আসে এবং সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ডেইলি স্টার কার্যালয়ে আটকা পড়েছেন নারী সাংবাদিক জাইমা ইসলাম
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভকারীদের বুঝানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে গিয়ে পার্শ্ববর্তী ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাত দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্ক্খলা-বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য রয়েছে।