প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪০ পিএম (ভিজিট : ৫১৪)

X
কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়ি যশোরের চৌগাছায় ছুটিতে এসে নিখোঁজ ছিলেন আক্তারুজ্জামান (৪৬) নামে এক পুলিশ সদস্য। ২২ দিন পর তার খোঁজ পাওয়া গেলেও তিনি আর বেঁচে নেই।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের নয়মাইল গ্রামের একটি আখক্ষেত থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আজ শুক্রবার তার পরিচয় শনাক্ত হয়। বিকালে খবর পেয়ে স্বজনেরা সন্ধ্যায় মরদেহ আনার জন্য পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
আক্তারুজ্জামান খুলনা রেঞ্জের বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি যশোরের চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জামলতা গ্রামে। গত ২৮ নভেম্বর আক্তারুজ্জামানের নিখোঁজের জিডি করেন তার স্ত্রী শাহিনা আক্তার।
নিহতের শ্যালক মামুনুর রশীদ মামুন বলেন, ‘স্থানীয় পুলিশের পাঠানো পরনের প্যান্ট, শার্ট, জুতার ছবি দেখে তারা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি মরদেহটি তার বোনের স্বামীর। আমরা ইতোমধ্যে কয়েকজন পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছি। মরদেহ স্থানীয় মর্গে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।’
পুলিশ ও নিহতদের স্বজনেরা জানিয়েছে, দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের সাড়ে ৯ মাইল এলাকায় সুমেত আলীর আখক্ষেত থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। স্থানীয়রা আখক্ষেতে প্রবেশ করে দেখেন একটি মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরে স্থানীয়রা থানা-পুলিশকে খবর দেন।
পঞ্চগড় থানার তদন্ত কর্মকর্তা ও পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক বেলাল হোসেন জানান, মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ক্লু-লেস মরদেহটি পরিচয় শনাক্তে একমাত্র সূত্র উদ্ধারকৃত মরদেহের আন্ডারওয়ার, যা ছিল পুলিশের লোগো সম্বলিত। পরে সেটি একজন পুলিশ কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হলে তার পরনের প্যান্ট, শার্ট, জুতার ছবি নিহতের স্ত্রীকে নিয়ে দেখালে তিনি তার স্বামীর পোশাক বলে শনাক্ত করেন।