প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০০ পিএম (ভিজিট : ১৬২)

X
খুলনায় সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন (৫০) হত্যার ঘটনায় পুলিশ ঘেরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও এলাকাভিত্তিক পূর্বশত্রুতার জেরসহ তিন-চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নেমেছে।
এদিকে হত্যাকান্ডের পর একদিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ হত্যাকান্ডের কারণ উদঘাটন করতে পারেনি। এছাড়া সন্দেহভাজন কোনো আসামিকেও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।
আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আহমেদ জানান, আজ শুক্রবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত এমদাদুল হক মিলনের লাশের ময়না তদন্ত হয়েছে। তবে এ হত্যাকা-ের ঘটনায় বিকাল ৪টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় আসলেই মামলা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, আড়ংঘাটা এলাকায় কারা অবৈধ অস্ত্রবহন করে সে ব্যাপারে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন রায় বলেন, ইমদাদুল হক মিলন হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ ঘেরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও এলাকাভিত্তিক পূর্বশত্রুতার জেরসহ তিন-চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত এ হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনসহ হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নগরীর আড়ংঘাটা থানার শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইমদাদুল হক মিলন ঘটনাস্থলে নিহত ও দেবাশীষ বিশ্বাস নামে অপর আরেকজন গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের দুজনের মাথায় গুলি লাগে। নিহত ইমদাদুল হক মিলন শলুয়া গ্রামের মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি শলুয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজ করতেন।
গুলিবিদ্ধ দেবাশীষ বিশ্বাস শলুয়া গ্রামের রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে। দেবাশীষ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।