শেরপুরের ভীমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে রঘুনাথপুর ছয়ঘড়িয়াপাড়া ও দিকপাড়া গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং প্রাচীরের গ্রিল বার খুলে নিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাবেক জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক কলেজ ও স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় জমি ক্রয়কৃত ব্যক্তিদের ন্যায্য মূল্য পরিশোধ না করেই একপ্রকার জোরপূর্বক জমি দখল করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলেন—এমন অভিযোগ তাদের। এ কারণে নিজেদের জমি উদ্ধার এবং ন্যায্য মূল্য পাওয়ার দাবিতে তারা সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শেষে ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটককৃতরা হলেন-
রঘুনাথপুর ছয়ঘড়িয়াপাড়া গ্রামের:
১. শফিকুল ইসলাম (পিতা: বিধু মিয়া)
২. আলাল মিয়া (পিতা: ময়ছর আলী)
৩. রজব আলী ওরফে ওসতালি (পিতা: মনছুর)
৪. খোরশেদ আলী (পিতা: জাহের আলী)
রঘুনাথপুর দিকপাড়া গ্রামের:
৫. আমজাদ আলী (পিতা: মৃত মন্দি মিয়া)
এ ঘটনায় ভীমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।