ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের মামলা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা

2025-12-25T12:32:55+00:00
2025-12-25T12:32:55+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের মামলা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৩২ পিএম   (ভিজিট : ১২০)
X

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজটি একসময় জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটিতে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষক-কর্মচারী ও এলাকাবাসী জানান।

বিজ্ঞ আমলি আদালত, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধায় দায়ের করা সি.আর মামলা নং ৯৭২/২০২৫ সূত্রে জানা যায়, কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. এহতেশামুল হক ডাকুয়া গত ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। তার ইস্তফাপত্র গভর্নিং বডির অনুমোদন সাপেক্ষে ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার মো. মিজানুর রহমান ছাড়পত্র প্রদান করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ইস্তফার তারিখ থেকেই পদটি শূন্য হওয়ার কথা থাকলেও বিধি বহির্ভূতভাবে কলেজ সভাপতি আসাউদ্দৌলা ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের যোগসাজশে আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২০২৫ এই তিন মাসে সহকারী অধ্যাপকের বেতন বাবদ মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ১০ টাকা সোনালী ব্যাংক (পিএলসি), হাট দারিয়াপুর শাখা থেকে উত্তোলন করা হয়, যা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল।

আরও অভিযোগ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কমপক্ষে তিন বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। কিন্তু এহতেশামুল হক ডাকুয়া প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। এমপিও না পাওয়ায় তিনি পূর্বের সহকারী অধ্যাপক পদে ইস্তফার তথ্য গোপন করে ওই পদের বেতন উত্তোলন করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী কলেজ প্রতিষ্ঠাতার ছেলে নজরুল ইসলাম বলেন, “ইস্তফা দেওয়া পদের বেতন উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি। এ বিষয়ে আমি আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার চাই।”

এ বিষয়ে কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধি রাশেদা বেগম বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। অভিযুক্ত উপাধ্যক্ষ এহতেশামুল হক ডাকুয়া এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার মো. মিজানুর রহমান জানান, গভর্নিং বডির নির্দেশে তিনি বেতন প্রদান করেছেন। অপরদিকে গভর্নিং বডির সভাপতি আসাউদ্দৌলা বলেন, “আমি নিয়ম-কানুন তেমন বুঝি না। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পরামর্শে বেতন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy