আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে যুবলীগের এক নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার রাতে ভোলার একটি আবাসিক হোটেলের তিনতলার কক্ষ থেকে লালমোহন পৌর যুবলীগের সদস্য আমির হোসেন তালুকদার এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি লালমোহন পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পুলিশ ও হোটেল সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমির পরিচয়পত্র জমা দিয়ে কক্ষ ভাড়া নেন। সেদিন রাতে তিনি কক্ষেই অবস্থান করলেও শুক্রবার সারাদিন কক্ষ থেকে বের হননি। এতে হোটেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ রুমের ভেতর থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, তিনি ভোলায় আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। তাদের দাবি, মৃত্যুর কারণ অস্বাভাবিক এবং বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা উচিত। পরিবার ইতোমধ্যেই মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে। দলীয় সহকর্মীরাও হঠাৎ এভাবে মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আমির হোসেনের সক্রিয় রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিক বিবেচনা করে ঘটনার রহস্য উন্মোচনে পুলিশকে সতর্কভাবে তদন্ত করতে হবে।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, এটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। সিসিটিভি ফুটেজ, কক্ষে থাকা ব্যক্তিগত সামগ্রী এবং নিহতের ফোনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।