গাংনীতে কনকনে শীতে মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যয়ের মুখে

গাংনী(মেহেরপুর) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

মেহেরপুরের গাংনীতে কনকনে শীত আর শৈত্য প্রবাহে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। শীতে সবচেয়ে বেশি কাবু হয়ে

2025-12-28T12:31:33+00:00
2025-12-28T12:31:33+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
গাংনীতে কনকনে শীতে মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যয়ের মুখে
গাংনী(মেহেরপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৩১ পিএম   (ভিজিট : ৫১)
X

মেহেরপুরের গাংনীতে কনকনে শীত আর শৈত্য প্রবাহে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। শীতে সবচেয়ে বেশি কাবু হয়ে থাকে বয়স্ক মানুষ এবং শিশুরা। নানা ধরণের শীতজনিত রোগ দেখা দিয়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দীনমজুর ও নিম্ন-আয়ের মানুষ। শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরনের কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

রোববার সকালে গাংনীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, শীত নিবারণে মানুষকে বিভিন্ন স্থানে আগুন পোহাচ্ছে। পাশাপাশি বেড়েছে সোয়েটার, জ্যাকেট, শাল-চাদর, মাফলার-কানটুপিসহ গরম জামা-কাপড়ের কদর। ফলে বাজারে গরম পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। অন্যদিকে শীতের পাশাপাশি বেড়েছে কুয়াশার প্রকোপ ও শৈত্য প্রবাহ। যানবাহনগুলোকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেটেখাওয়া মানুষের কষ্ট বাড়ছে। প্রতিদিন আয় করে প্রতিদিন যাদের খেতে হয়, তারা পরিবার নিয়ে দুমুঠো খাবার জোগাড়ের লড়াই করছেন এই প্রচন্ড শীতের ভেতরেও।


গাংনী শহরের পাখিভ্যান চালক আব্দুল আলীম জানান, এই শীতে বাইরে বের হতে পারি না। তবুও দু’মুঠো খাবারের জন্য বের হতে হয়। ভ্যানের চাকা না ঘুরলে জিবন চলে না তাই পুরাতন গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে বেরিয়ে পড়তে হয়। দিনমজুর রাহেন আলী জানান, শীতে হাত পা আড়ষ্ঠ হয়ে পড়ছে। ক্ষেত খামারে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে তবুও সংসারের খরচ সন্তানের পড়ালেখার খরচ জোগাতে বের হতে হচ্ছে।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে প্রচণ্ড ঠান্ডায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশি। গত তিন দিনে ১৯৭ জন শিশু ও ৮৫ জন বয়ষ্ক রোগি ঠান্ডাজনিত রোগের চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে ভর্তি রয়েছে ৪১ জন।

গাংনী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফারুক হোসেন জানান, ঠাণ্ডাজনিত রোগ নিয়ে অনেকেই চিকিৎসা নিতে আসছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়ষ্ক লোক বেশি। এ সময় শিশুদের গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে। কুসুম গরম পানি পান করাতে হবে। তীব্র শীতে শিশুরা যেন বাইরে বের না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ রোববার সকাল ৯ টায় এ অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯৬ শতাংশ। এ অবস্থা আরো কয়েকদিন চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান, শীতার্তদের জন্য কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকবে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy