কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসা বিস্ফোরণ: পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক

আইন-আদালত

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে একটি মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এনিয়ে এ ঘটনায় মোট ছয়জনকে

2025-12-28T15:38:35+00:00
2025-12-28T15:38:35+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসা বিস্ফোরণ: পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৮ পিএম   (ভিজিট : ৬৬)
X

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে একটি মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এনিয়ে এ ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিস্ফোরণের ঘটনায় বাগেরহাটের শেখ আল-আমিনসহ মোট সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত শুক্রবার সকালে কেরাণীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় অবস্থিত উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল ও ছাদের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং দুই শিশু আহত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল থেকে শেখ আল-আমিন (৩২) ওই ভবনের দুটি কক্ষে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছিলেন। সেখানে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। বিস্ফোরণে আল-আমিন ও তার স্ত্রী আছিয়ার দুই সন্তান আহত হয়। তাদের প্রথমে স্থানীয় আদ-দ্বীন হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক দ্রব্য, চারটি ককটেল সদৃশ বস্তু, একটি ল্যাপটপ ও দুটি মনিটর জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

তিনি আরও জানান, ধ্বংসস্তূপ থেকে আনুমানিক ৪০০ লিটার হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডজাতীয় রাসায়নিক পদার্থ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব রাসায়নিক ব্যবহার করে কোনো ধরনের বিপজ্জনক কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি চলছিল। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশের তথ্যমতে, ঘটনার পর আল-আমিনের স্ত্রী আছিয়া, তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার এবং আসমানী খাতুন ওরফে আসমাকে আটক করা হয়। তবে মূল অভিযুক্ত আল-আমিন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আশপাশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি ২০২৩ সাল থেকে জামিনে ছিলেন।

পুলিশ সুপার জানান, মাদ্রাসার পরিচালক হিসেবে মুফতি হারুন নামে একজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আছিয়ার ভাই এবং বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

এদিকে ভবনের মালিক পারভিন বেগম জানান, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে তিনি মুফতি হারুনের কাছে ভবনটি ভাড়া দেন। পরে আল-আমিন নিয়মিত মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করতেন এবং সেখানে মাদ্রাসা পরিচালিত হতো।





Loading...
Loading...


আইন-আদালত এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy