৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬ উপলক্ষে এক বাণীতে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশ এবং প্রতিষ্ঠানগুলিকে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে, ড. ইউনূস বলেন, "অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" তিনি মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং ক্রেতাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে মেলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, "ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য প্রদর্শন এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা লাভের সুযোগ এই মেলার মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে।"
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। আমি আশা করি, মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এবং বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে।"
তিনি আরো বলেন, "এ মেলা শুধু দেশের পণ্য প্রচার করবে না, বরং পণ্য বহুমুখীকরণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সাহায্য করবে, যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।"
ড. ইউনূস বলেন, "আমি আশা করি, মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশ এবং প্রতিষ্ঠানগুলি পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে এবং এ মেলা একেবারে ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।"
সবশেষে, তিনি ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
প্রসঙ্গত, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬ প্রথমে ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এটি পরিবর্তিত হয়ে ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।