সরকারবিরোধী চলমান বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে ইরানে। দেশটিতে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন।
বিক্ষোভকারীর পুলিশের মোটরসাইকেল, রাষ্ট্রীয় টিভি সংশ্লিষ্ট ভবন, গভর্নর অফিস ও সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।
ইরানের শেষ শাহ শাসকের ছেলে রেজা পেহলেভির আহ্বানে রাস্তায় নেমে আসেন মানুষ। এ সময় তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। দেশটির বিরোধী দলীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
তেহরানে পুলিশের মোটরসাইকেল ছাড়াও ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলায় নিহত হওয়া ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির ছবি সম্বলিত বিশাল একটি বিলবোর্ডে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অনেক জায়গায় বিক্ষোভকারীদের ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভ দমাতে মুখে ইরানে ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। যদিও দেশটির সরকার এ নিয়ে কোনো ঘোষণা দেয়নি।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। এর জেরে ইরানে ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও রাজধানী তেহরানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছেন। এছাড়া দেশটির অন্যান্য জায়গাতেও হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন।