আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের তৃতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টায় ২৪টি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি আপিল মঞ্জুর, ৭টি নামঞ্জুর এবং ২টি আপিল অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ এ আপিল শুনানি শুরু হয়।
শুনানিতে বিভিন্ন আসনের একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও স্থগিতের সিদ্ধান্ত উঠে আসে। খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী দীনময় রোয়াজার নামে থাকা একটি ক্রেডিট কার্ডে ২২ হাজার ৭০০ টাকা বকেয়া থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। চট্টগ্রাম-১১ আসনে একই দলের প্রার্থী মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ৯৭ হাজার ৯৯১ টাকা ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকায় তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।
চট্টগ্রাম-৯ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ফেনী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইসমাইলের ক্ষেত্রে এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষর পূরণ না হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল হয়।
নাটোর-২ আসনে এনপিপির প্রার্থী জি এ এ মুবিন সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। চাকরি থেকে অব্যাহতির তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। চট্টগ্রাম-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাকিলা ফারজানার ক্ষেত্রে ‘নট প্রেসড’ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, মানিকগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আব্দুল মান্নানের ঋণ খেলাপি সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় যুক্তিতর্ক শেষে তার মনোনয়ন আপাতত অপেক্ষমান রাখা হয়েছে। এছাড়া পাবনা-২ আসনে শুনানি স্থগিত থাকায় গণফোরাম প্রার্থী শেখ নাসির উদ্দিনের মনোনয়নপত্রও অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।