সৌদি আরবে ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুত আবিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরব চারটি ভিন্ন স্থানে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুত আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি

2026-01-17T11:15:09+00:00
2026-01-17T11:15:09+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
সৌদি আরবে ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুত আবিষ্কার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ এএম   (ভিজিট : ৮৪)
X

সৌদি আরব চারটি ভিন্ন স্থানে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুত আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মাদেন (Ma’aden) পরিচালিত বিস্তৃত অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রমের ফলেই এই সাফল্য এসেছে।

চালু খনি ছাড়াও নতুন ও পুরোনো বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনুসন্ধান চালানো হয়। গত ১২ জানুয়ারি প্রকাশিত তথ্যে মাদেন জানায়, এটি সৌদি আরবের অভ্যন্তরে পরিচালিত অন্যতম বৃহৎ খনিজ অনুসন্ধান কার্যক্রম।

প্রাথমিকভাবে ৯ মিলিয়ন আউন্সের বেশি সোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও খনন ব্যয়, বাজারদর ও অন্যান্য হিসাব সমন্বয়ের পর নতুন সোনার মজুত নির্ধারিত হয়েছে ৭.৮ মিলিয়ন আউন্স।

সবচেয়ে বেশি সোনা পাওয়া গেছে মাদেনের প্রধান প্রকল্প ‘মানসুরা মাসারাহ’ থেকে, যেখানে এক বছরে নতুন করে ৩০ লাখ আউন্স সোনা যুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া উরুক ২০/২১ ও উম আস সালাম এলাকায় মিলেছে মোট ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স সোনা। পাশাপাশি ওয়াদি আল জাও এলাকায় প্রথমবারের মতো আনুমানিক ৩৮ লাখ আউন্স খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

মাদেন জানায়, ‘সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড রিজিওন’-এ আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের ফলে নতুন খনিজ অঞ্চল শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ঐতিহাসিক মাহদ স্বর্ণখনি-সংলগ্ন এলাকাতেও নতুন সম্পদের সম্ভাবনা দেখা গেছে, যা খনিটির কার্যকাল বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

মাদেনের প্রধান নির্বাহী বব উইল্ট বলেন, এই আবিষ্কার কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধান কৌশলের সাফল্যের প্রমাণ। তিনি জানান, এসব নতুন সম্পদ ভবিষ্যতে কোম্পানির আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোনার পাশাপাশি জাবাল শায়বান ও জাবাল আল ওয়াকিল এলাকায় তামা, নিকেল এবং প্ল্যাটিনাম গ্রুপের ধাতুরও সন্ধান পাওয়া গেছে।

বর্তমানে মানসুরা মাসারাহ প্রকল্পে মোট খনিজ সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ৬০ লাখ টন, যেখানে প্রতি টনে গড়ে ২.৮ গ্রাম সোনা রয়েছে। মোট সোনার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ আউন্স। গভীর স্তরে আরও খনিজ পাওয়ার সম্ভাবনায় ২০২৬ সাল পর্যন্ত খনন কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আবিষ্কার সৌদি আরবের খনি খাতের জন্য একটি বড় মাইলফলক। তেলনির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার লক্ষ্য অর্জনে খনি খাতকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায় দেশটি।





Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy