প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম (ভিজিট : ৮৫)

X
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের শুনানিকালে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ব্যাপক হট্টগোল, উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বৈধ প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি চলাকালে এই হট্টগোল হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবিদের ব্যাখ্যা চায় ইসি। তারা ব্যাখ্যা দিতে থাকেন। ব্যাখ্যাগ্রহণের শেষ দিকে আপিল শুনানি দুপুরে আধা ঘণ্টার জন্য বিরতি দেয় কমিশন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে পুরো কমিশন আসন ত্যাগ করার পরপর মঞ্চের সামনে আপিলের পক্ষে-বিপক্ষের আইনজীবীরা জড়ো হতে থাকেন এবং বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। এই জটলার মাঝে উপস্থিত থাকা ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু সেখানে উপস্থিত বিরোধীদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেন (দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে মিন্টুর মনোনয়নপত্র বাতিলের শুনানি ছিল)।
পরে অন্য এক আপিলের শুনানির জন্য অডিটরিয়ামে উপস্থিত কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ) উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং আব্দুল মিন্টুর ক্ষোভ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি তোলেন। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে আইনজীবীরা সরিয়ে নিলে ছেলে তাবিথ আউয়াল তখন হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে কথা বলে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিরতির পর শুনানি শুরু হলে হাসনাত আব্দুল্লাহ কমিশনের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনপিপ্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু অশ্রাব্য ভাষা গালিগালাজ করেছেন এবং বল প্রয়োগেরও চেষ্টা করেন। একই সময় অপর এক আইনজীবী অভিযোগ করেন, কিশোরগঞ্জের একটি আসনের বিএনপিপ্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর সমর্থকরা শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) শুনানি শেষে নির্বাচন ভবনের সামনে তার ক্লায়েন্টতে মারধর করেন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি। এটাকে আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত বলি। আশা করছি, কেউ আর এ ধরণের ঘটনা ঘটাবেন না।