প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৪ এএম (ভিজিট : ১৪২)

X
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর -৪, রামগতি - কমলনগর সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এআর হাফিজ উল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তার আশংকার কথা জানিয়েছেন।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য বিএনপিকে ইংগিত করে বলেন একটি দল নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিষ্ট সরকার আওয়ামী লীগ যুবলীগ, ছাত্র লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দলে ভেড়াচ্ছেন যারা অতীতের নির্বাচন গুলোতে কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতি করতো তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় গোপন বৈঠকে দাওয়াত দিয়ে হাসঁ পার্টি করে খাওয়ানোর খবর তাদের কাছে আসছে।
তিনি আরো বলেন বিগত নির্বাচনে যারা প্রিজাইডিং সহকারী প্রিজাইডিং দায়িত্ব পালন করেছেন অর্থাৎ ৬ষ্ঠ ৭ সপ্তম এবং ৮ অষ্টম গ্রেটধারী বিশেষ করে রামগতি ও কমলনগরের দুটি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছাড়া বাকি অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং দাখিল ও আলিম মাদ্রাসা প্রধানদের প্রিজাইডিং না কের সহকারী প্রিজাইডিং কোন কোন ক্ষেত্রে পুলিং করা হয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের পুলিং এজেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে অথচ হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষকদের এবং প্রাথমিকের প্রধানদের ঠিকই সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে এটি একটি বৈষম্য আথবা কোন পক্ষের পরামর্শে কারসাজি কিনা আপনার তদন্ত করে দেখবেন। এবিয়ে তারা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নিকট অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া কমলনগরে দুই জায়গায় তাদের নারী কর্মিদের প্রচার কাজে বাধা ও হেনস্থার চেষ্টা করা হয়েছে।
উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি প্রতিপক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নানা মিথ্যাচারও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং রাষ্ট্র কোন কারসাজিমূলক নির্বাচনের পায়তারা করছে কিনা এটি আমাদের মাঝে আশঙ্কার জায়গা তৈরি করেছে। গতকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা সদর আলেকজান্ডারে পৌর জামায়াতের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় জামায়াত প্রার্থী এই আর হাফিজুল্লাহ এসব অভিযোগ করে তাদের আশঙ্কার কথা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল খায়ের, উপজেলা জামাতের সেক্রেটারি আলী মুর্তজা পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জাফর আহমদ সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এসময় সাংবাদিকরা জামায়াত প্রার্থী এআর হাফিজুল্লাহ কে নির্বাচিত হলে রামগতির কোন সমস্যাকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিক এবং রামগতি ও কমলনগরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন আমি প্রচার কাজে গিয়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি মানুষ অতীতের অনেক শাসন দেখেছেন তারা কেউ স্বৈরাচার কেউ প্যাসিবাদ কেউ জালেম হয়েছে এখন জনগণ জামাতকে ক্ষমতা দেখতে চায় এজন্য দাঁড়িপাল্লার প্রতি তাদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে আমি যদি আল্লাহর রহমতে জনগণের ভালোবাসা পেয়ে বিজয় লাভ করতে পারি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি রামগতি এবং কমলনগরের প্রধান সমস্যা নদী ভাঙ্গন, এই নদী ভাঙ্গন রোদে যে প্রকল্প ভাইনে কাজ চলমান সেটিকে দ্রুত ত্বরান্বিত করে টেকসই বেড়ীবাধের সম্পন্ন করা হবে।
গত ২৪ সালে রামগতি এবং কমলনগর এর চারটি ইউনিয়ন জলাবদ্ধতা প্রায় তিন মাস নিমজ্জিত ছিল ভুয়া নদী খননের মাধ্যমে এই জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নেব লক্ষ্মীপুর আলেকজান্ডার হয়ে সোনাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কটি পড়লেন এর উন্নীত করার চেষ্টা করব এবং এ অঞ্চলের গরিব মেহনতী মানুষের একমাত্র চিকিৎসা ব্যবস্থা আলেকজান্ডার ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও কমলনগর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও পরীক্ষা নিরীক্ষা সরঞ্জাম ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া তিনি নারী শিক্ষার পরিবেশ প্রতিও গুরুত্ব দেবেন এবং আ স ম আব্দুর রব সরকারি কলেজ ও কমলনগর হাজিরাট উপকূল সরকারি কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষক এবং অনার্স কোর্স চালু ও শিক্ষার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।