নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মায়েদের ইজ্জত আমাদের জীবনের চেয়েও বেশি। মায়েদের ওপর কোনো অপমান আমরা বরদাস্ত করব না। ঘরে ও বাইরে নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” তিনি বলেন, ইসলামী সমাজে নারীদের কর্মক্ষেত্রে সম্মান ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা বেকার ভাতা দিতে চাই না। বেকার ভাতা দিয়ে যুবকদের অপমান করতে চাই না। আমরা প্রত্যেক যুবক-যুবতীকে দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেন তারা দেশে ও বিদেশে মর্যাদাপূর্ণ কাজ করতে পারে।”
তিনি অতীত সরকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “১০ টাকা কেজি চালের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। এমন ধোঁকা আর বাংলাদেশ দেখতে চায় না।”
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম খান, বগুড়া-১ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম রব্বানী, বগুড়া-৩ আসনের এমপি প্রার্থী নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ আসনের এমপি প্রার্থী ডা. মুস্তাফা ফয়সাল পারভেজ, বগুড়া-৫ আসনের এমপি প্রার্থী হাবিবুর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই আন্দোলনের আহতরা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।