প্রকাশ: রোববার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম আপডেট: ২৫.০১.২০২৬ ৪:৩৬ পিএম (ভিজিট : ১৩৯)

X
স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে জর্জরিত হয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
আজ রবিবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে এ সভা চলছিল। সভা চলাকালীন বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু ও তাঁদের মরদেহ যশোর জেলা কারাগারের ফটকে নেওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা।
প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ নয়, অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে ছিলাম।’
এর বাইরে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। কিন্তু সাংবাদিকরা এরপরও তাঁকে একের পর এক এ সংক্রান্ত প্রশ্ন করতে থাকেন। একপর্যায়ে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের সঙ্গে স্বর্ণালীর বিয়ে হয়। সম্প্রতি রাজনৈতিক মামলায় স্বামীর গ্রেপ্তার নিয়ে হতাশায় ভুগছিলেন স্বর্ণালী। স্বামীকে মুক্ত করতে চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তিনি। গত শুক্রবার ঘরের ভেতর থেকে নয় মাসের সন্তান নাজিম ও স্বর্ণালীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শনিবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো ৯ মাসের সন্তান ও স্ত্রী সুবর্ণা স্বর্ণালীর মুখ দেখেন সাদ্দাম। এরপর আবার তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানান যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ।
পরিবারের দাবি, সাদ্দামের পক্ষে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করার পরও তা মঞ্জুর হয়নি। এ কারণেই কারাগারে তাঁর স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ নিয়ে আসা হয়।
এদিকে, যশোর জেলা প্রশাসনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার জন্য সাদ্দামের পক্ষে তাঁর প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন করা হয়নি। বরং পরিবারের সিদ্ধান্তেই জেলগেটে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।