
X
রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ১৮তম বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল প্লাস্টিক, প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফেয়ার। রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি) আগামী বুধবার (২৮ জানুয়ারি) থেকে এ ফেয়ার শুরু হবে। চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর পল্টনে এ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মেলা আয়োজনের এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজিএমইএ) সভাপতি সামিম আহমেদ। বিপিজিএমইএ ও ইয়োরকার্স ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস কো. হংকং যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিপিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি মো. ইউসুফ আশরাফ, ফেরদৌস ওয়াহেদ, শাহেদুল ইসলাম হেলাল, সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক, পরিচালক মো. ইয়াকুব ও এ টি এম সাঈদুর রহমান বুলবুল প্রমুখ।
সংগঠনটি জানায়, দেশের ব্যবসায়ীরা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও আধুনিক মেশিনারির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। শুধু প্রদর্শনী নয়, চলবে সেমিনার, যেখানে টেকসই উৎপাদন, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, রিসাইক্লিং ও নতুন উদ্ভাবনের ওপর আলোচনা হবে। এছাড়া বাংলাদেশের প্লাস্টিক খাত ও বিশ্ব বাজার নিয়ে বিশদ তথ্যও ভাগ করা হবে।
বিপিজিএমইএ সভাপতি সামিম আহমেদ বলেন, “দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎমুখী সমাধান উপস্থাপন করবে। এর মাধ্যমে শিল্প উদ্যোক্তারা নতুন ব্যবসায়িক দিগন্ত উন্মোচনের সুযোগ পাবেন, আর তরুণ প্রজন্ম আধুনিক শিল্প জগতের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, কৃষিতে প্লাস্টিক ব্যবহার উৎপাদন বাড়াতে, মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখতে, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্রিনহাউজ, পলিহাউস, সেচ পদ্ধতি ও প্যাকেজিংয়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার ফসল সংরক্ষণ ও পরিবহনে সহায়ক।
মেলায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নতুন প্রযুক্তি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উদ্ভাবনী সমাধান প্রদর্শিত হবে, যা স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
মেলায় থাকবে ৮০০টিরও বেশি স্টল, যেখানে ১৮টি দেশ থেকে ৩৯০টিরও বেশি ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করবে। চীন, ভারত, ইতালি, জাপান, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশের কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে।