প্রকাশ: রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৭ এএম (ভিজিট : ১২১)

X
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের হজ মৌসুম (১৪৪৭ হিজরি) উপলক্ষে আজ রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু করেছে। হাজিদের আগমনের বহু আগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, সেবার মান উন্নত করা এবং পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। খবর দিয়েছে অনলাইন গালফ নিউজ।
মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমের প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হয় ৮ জুন ২০২৫ (১২ জিলহজ ১৪৪৬ হিজরি) থেকে। ওই দিন বিশ্বব্যাপী হজ বিষয়ক অফিসগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনাসংক্রান্ত নথি পাঠানো হয়। সফর মাসের শুরুতেই হজ অফিসগুলোকে ‘নুসুক মাসার’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোর ক্যাম্পসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের অ্যাক্সেস দেওয়া হয়, যাতে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭ হিজরি থেকে আবাসন ও মৌলিক সেবাসংক্রান্ত প্রাথমিক চুক্তি কার্যক্রম শুরু হবে। আগামী ১২ অক্টোবর ২০২৫ এর মধ্যে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক সম্পন্ন, চূড়ান্ত অপারেশনাল তথ্য প্রস্তুত এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোতে হজযাত্রী নিবন্ধন চালুর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জমাদিউল আউয়াল মাসে বড় পরিসরের সেবাচুক্তি স্বাক্ষর এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা জোরদারে একটি হজ সেবা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সব সেবা ও চুক্তি ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মক্কায় সব আবাসন চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে ৩০ হাজার জন সরাসরি নিজ নিজ দেশ থেকে হজ প্যাকেজ বুক করেছেন।
আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রায় ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজ অফিস তাদের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, ২০২৬ সালের হজে নিবন্ধিত সরকারি ও বেসরকারি সব হজযাত্রীকে সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে টিকা গ্রহণ শেষে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে। সৌদি নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিটনেস সনদসহ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে হজ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফিটনেস সনদ ছাড়া কেউ হজে অংশ নিতে পারবেন না।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ২৬ মে। হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ এপ্রিল।