প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৯ এএম (ভিজিট : ৯০)

X
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধান অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করতে হয়।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে সবাই প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে তা শেষ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়। সে অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর সব ধরনের প্রচার কার্যক্রম শেষ করতে হবে। গত ২২ ডিসেম্বর থেকে ইসি মোট ২০ দিনের প্রচারের সুযোগ দিয়েছিল।
ইসির সিনিয়র সচিব আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের পর কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন ‘লাঙ্গল’ প্রতীক নিয়ে।
এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক ব্যবহার করছেন।