প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩১ এএম (ভিজিট : ১০৩)

X
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সব স্থলবন্দর ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভোটকালীন সময়ে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি দেশত্যাগ বা প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নিয়েছে।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সীমান্ত উন্মুক্ত রাখলে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা রাজনৈতিক সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি সহজেই দেশ প্রবেশ বা পালিয়ে যেতে পারে। তাই ভোটের দিন ‘জিরো মুভমেন্ট’ নীতি কার্যকর করা হচ্ছে।
সীমান্ত বন্ধ রাখার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কার্যক্রম সহজভাবে পরিচালনা করতে পারবে। ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট সবাই জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলেন, এই পদক্ষেপ ভোটের সময় বিদেশি প্রভাব, সন্ত্রাসী প্রবেশ বা নাশকতা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
প্রশাসনিক আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার জাহিদ রহমান উল্লেখ করেছেন, নির্বাচনের আগে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্পষ্ট বার্তা দেয় নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো সন্দেহভাজন বা বিদেশি প্রভাবকে সহ্য করা হবে না।