আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটির লঞ্চারে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা কার্যত মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন

2026-02-11T18:07:06+00:00
2026-02-11T18:07:06+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম   (ভিজিট : ৩৫)
X



ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটির লঞ্চারে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা কার্যত মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জানুয়ারির পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ট্রাক-ভিত্তিক লঞ্চারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে সেগুলো দ্রুত নাড়াচড়া বা মোতায়েন করা সম্ভব হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থির লঞ্চার স্টেশনের পরিবর্তে পরিবহনযোগ্য ট্রাকে ক্ষেপণাস্ত্র রাখা মানে এটি দ্রুত আক্রমণের উদ্দেশ্যে সরানো বা ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় মোতায়েন করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত করে, উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়েছে।



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানকে তার পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন ও অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়নের অভিযোগে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। তবে যুদ্ধ এড়াতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক কথোপকথন এখনো চলমান।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, তুরস্ক ও ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়াতেও। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, ইরানে হামলা হলে তারা যেকোনো মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানতে পারে।



স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারির শুরুতে গোটা অঞ্চলে বিমান ও সামরিক সরঞ্জাম বাড়ানো হয়েছে। কনটেস্টেড গ্রাউন্ডের ফরেনসিক ইমেজারি বিশ্লেষক উইলিয়াম গুডহাইন্ড এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারির শুরুতে আল-উদেইদ ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এম৯৮৩ হেভি এক্সপ্যান্ডেড মোবিলিটি ট্যাকটিক্যাল ট্রাকে (এইচইএমটিটি) স্থাপন অবস্থায় দেখা গেছে। গুডহাইন্ড বলেন, এভাবে মোতায়েন করার ফলে প্যাট্রিয়ট সিস্টেমগুলোর চলাচলক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়। এগুলো দ্রুত নতুন স্থানে সরানো বা প্রয়োজনমতো পুনর্বিন্যাস করা যায়।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখনো এইচইএমটিটিতে রয়েছে কি না, তা পরিষ্কার হওয়া যায়নি। পেন্টাগন এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য দেয়নি।



ইরান বলেছে, গত গ্রীষ্মে ইসরায়েল তার পারমাণবিক স্থাপনা ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর দুই সপ্তাহের সংঘাতের মধ্যেই তারা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ফের পূরণ করে ফেলেছে। রাজধানী তেহরানের কাছে, কেরমানশাহ, সেমনান ও উপসাগরীয় উপকূলের কাছেও ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্স রয়েছে।

স্যাটেলাইট চিত্রে ২৭ জানুয়ারি বন্দর আব্বাস থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোনবাহী জাহাজ আইআরআইএস শহীদ বাগেরিকে দেখা গেছে। মঙ্গলবারের (১০ ফেব্রুয়ারি) ছবিতেও বন্দর আব্বাসের কাছে জাহাজটি দেখা যায়।






Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy