শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে টেলিফোনে এ সময় তারেক রহমানকে সাধারণ নির্বাচনে তার দলের ঐতিহাসিক ও অসাধারণ বিজয়ের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে পারস্পরিক স্বার্থের সব ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে একসাথে কাজ করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন শেহবাজ শরীফ।
কথোপকথনের একপর্যায়ে উভয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পাশাপাশি পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান এবং উভয় দেশের জনগণকে আরও ঘনিষ্ঠ করার ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য শ্রদ্ধা জানান তারা।
তারেক রহমানকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানও এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। উভয় নেতাই আগামী দিনে দুই দেশের জনগণের কল্যাণের জন্য ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে সম্মত হন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বেগম খালেদা জিয়া চারবার পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয় সফর করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান সফর করেন, যা ছিল স্বাধীনতার পর কোনো বাংলাদেশী রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম অফিশিয়াল সফর। সেই সফরে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ এবং কূটনীতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন হয়। এই সফরটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হয়, যা ভারত-ঘনিষ্ঠ নীতি থেকে সরে এসে মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিল।