রমজানে একজন মুমিনের দায়িত্ব

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ম

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, মুমিনদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন আগের জাতিদের ওপর করা হয়েছিল,

2026-02-16T13:24:04+00:00
2026-02-16T13:24:04+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
রমজানে একজন মুমিনের দায়িত্ব
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২৪ পিএম   (ভিজিট : ৪৪)
X

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, মুমিনদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন আগের জাতিদের ওপর করা হয়েছিল, যাতে তারা সংযম শিখতে পারে। নির্দিষ্ট কয়েক দিনের এই ইবাদতে অসুস্থ বা সফররতদের জন্য ছাড় রয়েছে, আর সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কষ্টে যারা রাখতে পারে না, তাদের জন্য আছে ফিদইয়া। তবে রোজা রাখাই মুমিনের জন্য উত্তম, যদি তারা তা উপলব্ধি করে। আর এই রমজান মাসেই মানবজাতির পথনির্দেশক হিসেবে কোরআন নাজিল হয়েছে।

রমজান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহের একটি মুহূর্ত। আবারো রমজান মাস পাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন আল্লাহ তায়ালা। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত এই মাসকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করা এবং সর্বোচ্চ উপকার অর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের এই মাসকে যথাযথ প্রস্তুতি, আনন্দ ও দায়িত্ববোধ নিয়ে বরণ করা একজন মুমিনের দায়িত্ব। এই উপলক্ষে পাঁচটি করণীয় তুলে ধরা হলো:

১. বিশেষ দোয়া ও আন্তরিকতা:
রমজান আসার আগেই দোয়া করা উচিত। আল্লাহ যেন সুস্থতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে এই মাস পাওয়ার তাওফিক দান করেন এবং আগ্রহ ও স্বাচ্ছন্দ্যে রোজা ও ইবাদত আদায় করার তাওফিক দেন।  নবীজি রজব মাস শুরু হলে দোয়ায় বলতেন, আল্লাহ রজব ও শাবানকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজানে পৌঁছে দিন। রমজানের চাঁদ দেখেও তিনি নিরাপত্তা, ঈমান ও কল্যাণের দোয়া করতেন।

২. কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ:
রমজান এলে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো এবং আনন্দ প্রকাশ করা সুন্নত। রমজান শুরু হলে সাহাবায়ে কেরাম একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতেন। নবীজি সাহাবাদের রমজানের সুসংবাদ দিয়ে বলতেন।

৩. পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্প:
রমজান সফল করতে চাইলে শুরুতেই মাসব্যাপী পরিকল্পনা জরুরি। কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, সাহরি ও ইফতারের সময় ঠিক রাখতে আলাদা সূচি করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নিয়ত হতে হবে, এই মাসে গুনাহ থেকে দূরে থাকা, আন্তরিক তাওবা করা এবং কারও প্রতি অন্যায় করে থাকলে ক্ষমা চাওয়া।

৪. রোজার বিধান জানা:
রোজা সম্পর্কিত মাসআলা-মাসায়েল জানা অত্যন্ত জরুরি। শুধু খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকা রোজা নয়; মন্দ কথা ও অন্যায় কাজ থেকেও নিজেকে সংযত রাখতে হয়। নবীজি বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও অন্যায় কাজ ছাড়ে না, তার খাদ্য ও পানাহার ত্যাগ আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।

৫. দান, উদারতা ও মানবিকতা:
রমজান দয়া ও দানের মাস। এই সময়ে আত্মীয়-প্রতিবেশী, সহকর্মী, মুসলিম ও অমুসলিম সবাইকে ইফতারে আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে। গরিব ও অসহায়দের সহায়তা করা, যাকাত ও সদকা আদায়ে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। 

হাদিসে এসেছে, নবীজি সাধারণ সময়ের তুলনায় রমজানে আরও বেশি দানশীল হতেন, কল্যাণের বয়ে চলা বাতাসের মতো। রমজান যেন আমাদের জীবনে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিকতার নতুন অধ্যায় হয়ে আসে।





Loading...
Loading...


ধর্ম এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy