শুল্কছাড়ের পরেও চড়া খেজুরের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ-বানিজ্য

দেশে এখন সারাবছরই কমবেশি খেজুরের চাহিদা থাকে। রমজান মাস এলে সেটা কয়েক গুণ বাড়ে। রোজায় খেজুরের সরবরাহ ও

2026-02-16T17:51:27+00:00
2026-02-16T17:51:27+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
শুল্কছাড়ের পরেও চড়া খেজুরের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম   (ভিজিট : ১৩০)
X



দেশে এখন সারাবছরই কমবেশি খেজুরের চাহিদা থাকে। রমজান মাস এলে সেটা কয়েক গুণ বাড়ে। রোজায় খেজুরের সরবরাহ ও বাজারমূল্য স্বাভাবিক রাখতে এবার শুল্কছাড় দেওয়া হলেও তার সুফল মেলেনি। রমজানের আগেই চড়া এ পণ্যের বাজার। গত ডিসেম্বরে খেজুর আমদানিতে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। এরপর দেশে পর্যাপ্ত খেজুর আমদানি হয়েছে। কিন্তু দাম কমেনি, বরং আগের চেয়ে বেড়েছে।

বাজারের তথ্য বলছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে শুরু করে ভালোমানের খেজুরের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারির চেয়ে খুচরায় দাম বাড়ার প্রবণতা বেশি। পাইকারিতে যে খেজুরের দাম ২০ টাকা বেড়েছে, সেটা খুচরা বাজারে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুল্কছাড় দিলেও সেটা কার্যকর হতে সময় লেগেছে। এতে তারা তেমন সুবিধা পাননি। এছাড়া শেষ মুহূর্তে বন্দর ধর্মঘটের কারণে সময়মতো পণ্য খালাস না হওয়া এবং নির্বাচনের ছুটিতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

রমজানের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যের মধ্যে একটি খেজুর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, রমজানে খেজুরের চাহিদা ৬০ থেকে ৮০ হাজার টন। আর শুল্কছাড়ের আগে ও পরে শেষ চার মাসে ৪৭ হাজার টন খেজুর আমদানি হয়েছে।

এ বিষয়ে আমদানিকারক শামছুল ইসলাম এশা  বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষে এ প্রজ্ঞাপন জারি হলেও এর সুবিধা পেতে আরও একমাস সময় লেগেছে। যেখানে এর আগেই চড়া দামে ব্যবসায়ীরা খেজুর কেনার ক্রয়াদেশ দিয়েছেন, যা চড়া শুল্কে খালাস হয়েছে। সেজন্য শুল্কছাড়ের সুবিধা মিলছে না।’

এ বছর নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তরা যেসব খেজুর বেশি কেনেন, সেগুলোর দাম বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে খেজুর (বাংলা খেজুর) কেজি ২২০ টাকা। জাহিদি খেজুর ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা এবং দাবাস ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারিতে প্রতি কেজি জাহিদি খেজুরের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও খুচরায় দাম বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। খুচরায় অন্য খেজুরের মধ্যে বরই ৪৮০ থেকে ৬০০ টাকা, কালমি ৭০০-৮০০ টাকা, সুক্কারি ৮০০-১০০০ টাকা, মাবরুম ৮৫০ থেকে ১২০০ টাকা, মরিয়ম ১১০০ থেকে ১৪০০ টাকা এবং মেডজুল ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব খেজুরের দামও ৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়েছে খুচরায়। যেখানে পাইকারি বাজারে বেড়েছে ২০ থেকে ১০০ টাকা।

ফল আমদানিকারক ও বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এবার খেজুরের দাম কিছুটা বাড়লেও গত বছরের তুলনায় কম আছে। আর পাইকারির চেয়ে খুচরা বিক্রেতারা বেশি দাম বাড়াচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার যে শুল্কছাড় দেওয়া হয়েছে, সেটা মাত্র ২ শতাংশ বেশি। কিন্তু বাজার গত বছরের চেয়ে অনেক কম রয়েছে।’
সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এবার ইরাক থেকে আসা খেজুরের একটি জাহাজ ডুবে গিয়েছিল, এজন্য সরবরাহ কিছুটা বিঘ্ন হয়েছে। বাকি সব ঠিক আছে।’





Loading...
Loading...


অর্থ-বানিজ্য এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy