প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম আপডেট: ১৬.০২.২০২৬ ৯:৫৪ পিএম (ভিজিট : ৮৮)

X
বিসিবির প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু
বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হিসেবে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বিসিবিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, নতুন করে আর চুক্তি নবায়ন করতে চান না।
তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, বিসিবি তাকে আরও দু-তিন মাস দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেছে। অল্প সময়ের জন্য হলে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আপত্তি নেই লিপুর। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
গাজী আশরাফের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে নতুন চুক্তি হবে কি না, হলেও সেটি কত দিনের জন্য, জানতে চাইলে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা প্রধান নাজমূল আবেদীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মাস শেষ হলে তাঁর মেয়াদ শেষ হবে। তখন বোর্ডের চাওয়া ও তাঁর ব্যক্তিগত ইচ্ছা মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
অবশ্য বিসিবি চাইলেও লম্বা সময়ের জন্য আর প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেবেন না গাজী আশরাফ। আগামী বছরের শুরু থেকে তিনি ব্যক্তিগত কাজে পুরোপুরি ব্যস্ত থাকবেন। এ বছরের বাকি ১০ মাসের মধ্যেও একটা বড় সময় দেশের বাইরে থাকবেন বলেও বিসিবিকে দেওয়া চিঠিতে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক।
সোমবার সংবাদ মাধ্যমকে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, ‘আমার জন্য কোনো লম্বা চুক্তিতে যাওয়া সম্ভব নয়। যদি আমার সীমিত সক্ষমতার মধ্যে বোর্ডের কোনো সাহায্য দরকার হয়, আমি তা করতে পারি, নয়তো আমি চলে যাওয়ার (দায়িত্ব ছাড়ার) জন্য তৈরি আছি।’ লম্বা সময়ের জন্য চুক্তি না বাড়াতে চাওয়ার অন্য একটি যুক্তিও দিলেন তিনি, ‘আমার মনে হয়, একই পদে লম্বা সময় না থাকার একটা সংস্কৃতি তৈরি হওয়া দরকার।’
২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দুই বছরের চুক্তিতে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তার বোর্ড পরিচালকের মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা দিয়েই তাকে প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল নাজমুল হাসান পাপনের তৎকালীন বোর্ড।
লিপু নিজেই জানিয়েছেন, চলতি বছরে পারিবারিক প্রয়োজনে কয়েক সপ্তাহ দেশের বাইরে থাকতে হবে তাকে। দেশে ফিরে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় থাকলেও আগামী বছরের শুরু থেকে পারিবারিক ব্যস্ততা বেড়ে যাবে। সবকিছু মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব নেওয়া তার পক্ষে কঠিন হবে বলেই মনে করছেন তিনি।
তবে পুরোপুরি সম্পর্ক ছিন্ন করছেন না সাবেক এই ক্রিকেটার। বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে আপদকালীন বা স্বল্পমেয়াদি ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।