প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম (ভিজিট : ৫৯)

X
দীর্ঘ ইনজুরির ইতিহাস নিয়ে নেইমারের যাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু করে প্রায় এক বছরের কাছাকাছি সময় মাঠের বাইরে কাটিয়েছেন তিনি। নেইমারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু মাঠে ফেরা নয়, ব্রাজিলের ২০২৬ বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেওয়া।
আল হিলাল ছাড়ার পর স্বপ্ন নিয়ে ফিরেছেন সান্তোসে, যেখানে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও স্বস্তি মেলেনি। ইনজুরি আর অস্ত্রোপচারের কারণে অনেক ম্যাচ ডাগআউটে বসে কাটাতে হয়েছে। হেড কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, নেইমারকে দলে চাইলে তার শতভাগ ফিটনেস দরকার। কেবল সুস্থ থাকলেই হবে না, উচ্চ গতির আধুনিক ফুটবলে ম্যাচের পুরো সময় ধরে তীব্রতা বজায় রাখার ক্ষমতা দেখাতে হবে তাকে।
সবশেষ ডিসেম্বরে হাঁটুর ছোট অস্ত্রোপচারের পর দুই মাসেরও বেশি সময় পর মাঠে ফিরেছেন। ভেলো ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচে প্রায় ৪৫ মিনিট খেলেছেন, এমনকি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন। তবু নিয়মিত খেলার ছন্দ এখনও ফিরে আসেনি।
এই ফিরে আসার পরই আবার জাতীয় দল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপের দল এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তাই ভক্তদের মনে আশা জেগেছে। রিও কার্নিভালে গিয়েও আনচেলত্তিকে ভক্তরা নেইমারকে দলে রাখার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু কোচের বার্তা একদম পরিষ্কার, নেইমারের প্রতিভা সবাই জানে, কিন্তু আজকের ফুটবলে শারীরিক ফিটনেস ছাড়া কোনো তারকাই অটো চয়েস নন।
তিনি নেইমারের সঙ্গে কথা বলেছেন, সময় দিয়েছেন নিজেকে প্রস্তুত করার। কিন্তু যদি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো খেলোয়াড় ৯০% ফিট থাকে, তাহলে ১০০% ফিট কাউকে নেবেন তিনি। ব্রাজিলের অ্যাটাকিং লাইনে এখন অনেক তারকা, তাই প্রতিযোগিতা অনেক বেশি।
আনচেলত্তির এই সতর্কতা নেইমারের জন্য একটা চূড়ান্ত বার্তা। মাঠে নিয়মিত খেলে, উচ্চ তীব্রতায় পারফর্ম করে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। ধারনা করা হচ্ছে, ফুটবলের প্রতি নেইমারের বর্তমান মনোভাব বা কমিটমেন্ট নিয়ে কোচ পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। তাই ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগোদের মতো তরুণ তারকাদের পাশাপাশি নেইমারকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।