প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৮ পিএম (ভিজিট : ৬০)

X
বাংলাদেশ ফুটবল দলের প্রধান কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা-ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে বরাবরই শিরোনাম হতেন অতিরিক্ত ছুটি কাটানো নিয়ে। জামাল ভূঁইয়াদের বর্তমান স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা দল নির্বাচন ও কৌশল নিয়ে এতটা সমালোচিত যে তার ছুটির বিষয়টি খানিকটা আড়ালে থাকে। প্রায় দুই মাসের লম্বা ছুটি কাটিয়ে মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় ফিরেছেন জাতীয় ফুটবল দলের এই স্প্যানিশ কোচ।
গত ১৮ নভেম্বর ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছে। এর পরপরই তিনি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে স্পেন ফিরে যান। ভারত ম্যাচের কিছু দিন আগে তিনি বাবা হয়েছিলেন। বাংলাদেশের পরবর্তী আন্তর্জাতিক ম্যাচ আগামী ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে।আর ওই ম্যাচের আগে অনেক সময় থাকায় পরিবারের সঙ্গে দুই মাসের বেশি সময় কাটিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন ক্যাবরেরা।
আগামী ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ভিয়েতনামে একটি ম্যাচ খেলবে। সেই ম্যাচ চূড়ান্ত হলেও বাফুফে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানায়নি। অথচ জাতীয় দল কমিটির সভার পর ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান জানিয়েছিলেন, সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে সিলেটে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে)। আর এমন সিদ্ধান্তের কয়েক দিন পরই জানা যায় ভিয়েতনামে খেলার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ ফুটবল দলের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাবরেরা। তিন দফায় তার চুক্তির মেয়াদ বেড়েছে। ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুর ম্যাচই শেষ ম্যাচ চুক্তি অনুযায়ী। হামজা-সামিতের মতো খেলোয়াড় আসার পরও বাংলাদেশ এশিয়া কাপে খেলতে না পারার পেছনে ফুটবলসংশ্লিষ্টরা কোচকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ৩১ মার্চের পর ক্যাবরেরার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে।
ডিসেম্বর মাস ঘরোয়া ফুটবল হয়েছে। আর ওই সময় স্পেন থাকায় সেভাবে স্বশরীরে খেলা দেখতে পারেননি। জানুয়ারি মধ্যবর্তী দলবদলের জন্য খেলা হয়নি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় লেগ শুরুর কথা থাকলেও হয়নি। ফেব্রুয়ারির অর্ধেক মাস পেরিয়ে গেলেও ক্লাবগুলো জানে না কবে থেকে খেলা শুরু হবে। লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান সাংবাদিকদের ফোনে সাধারণত কমই সাড়া দেন। গত কয়েক দিন লিগ কমিটির সদস্য এবং বাফুফের স্টাফদের ফোন মেসেজও সাড়া দিচ্ছেন না। ফলে ক্লাবগুলোর পাশাপাশি লিগ কমিটির সদস্যরাও ভীষণ হতাশ হয়ে পড়ছেন।