প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৯ পিএম আপডেট: ১৯.০২.২০২৬ ৪:৩৩ পিএম (ভিজিট : ১৩৫)

X
আফগানিস্তানে নারীদের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর আইন জারি করেছে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন দণ্ডবিধিতে স্বামীদের স্ত্রী ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মারধরের ফলে স্ত্রীর ‘হাড় ভেঙে গেলে’ বা গুরুতর জখম হলে স্বামীর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে নির্যাতনের অভিযোগ আদালতে প্রমাণের দায় থাকবে ভুক্তভোগী নারীর ওপর।
খবরে বলা হয়, তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ৯০ পৃষ্ঠার নতুন এই ফৌজদারি বিধিতে স্বাক্ষর করেছেন। পশতু ভাষায় ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ (আদালতের ফৌজদারি নিয়মাবলী) নামে পরিচিত এ আইন ইতোমধ্যে দেশটির আদালতগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, স্বামী ‘অতিরিক্ত মাত্রার শক্তি’ প্রয়োগ করে দৃশ্যমান জখম বা হাড় ভাঙলে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে নির্যাতিত নারীকে পূর্ণ হিজাব পরা অবস্থায় আদালতে জখম দেখাতে হবে এবং তার সঙ্গে স্বামী বা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষ অভিভাবক উপস্থিত থাকতে হবে।
এ ছাড়া স্বামীর অনুমতি ছাড়া বিবাহিত নারী আত্মীয়ের বাড়িতে গেলে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নতুন দণ্ডবিধিতে সমাজকে চার শ্রেণিতে- উলামা, আশরাফ, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত বিভক্ত করা হয়েছে। একই অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা অপরাধের ধরন নয়, বরং অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।