বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান সর্বশেষ ২০২৪ সালে ভারতের বিপক্ষে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছিলেন। এরপর আর লাল-সবুজের জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে। মামলার জটিলতার কারণে দেশে ফিরতেও পারেননি এই তারকা ক্রিকেটার। একবার দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে দুবাই পর্যন্ত এলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলাতে হয় তাকে।
তবে নতুন করে আবারও সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ। সেখানেই উঠে আসে সাকিবের ফেরা প্রসঙ্গ।
ফারুক আহমেদ বলেন, সাকিবের বিষয়টি চলমান রয়েছে। সভাপতি হওয়ার পর থেকেই তিনি চেষ্টা করছেন। সাকিবের ফিটনেস ও পেশাদারিত্ব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বোর্ড সবসময় চায় সাকিব বাংলাদেশের হয়ে খেলুক। তার ভাষায়, “সাকিব আমাদের জন্য একটি অ্যাসেট এবং ব্র্যান্ড। ফিটনেস বিবেচনায় তাকে দলে নেওয়া নির্বাচকদের বিষয়, তবে আইনি বিষয়গুলো সরকার দেখছে। আশা করছি খুব দ্রুতই একটি সুখবর পাওয়া যাবে।”
এদিকে সম্প্রতি ঘোষিত বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে সর্বোচ্চ ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে কোনো ক্রিকেটার না রাখায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, আগে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও সাকিব সব ফরম্যাটে নিয়মিত খেলতেন। বর্তমানে তিন ফরম্যাটেই অপরিহার্য ও ধারাবাহিকভাবে খেলছেন এমন ক্রিকেটার খুব বেশি নেই। সে কারণেই অপারেশনস কমিটি ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরি না রেখে ‘এ’ গ্রেড দিয়ে চুক্তি শুরু করেছে।
সব মিলিয়ে সাকিবের দেশে ফেরা এবং ভবিষ্যতে জাতীয় দলে তার ভূমিকা নিয়ে বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ে আশাবাদী মনোভাবই ফুটে উঠেছে।