প্রকাশ: রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১০ পিএম (ভিজিট : ২৬)

X
ম্যাচের শুরুতেই দলকে এগিয়ে নেওয়া নিকো ও’রাইলিকে ঘিরে ম্যানচেস্টার সিটির উল্লাস-ইন্টারনেট
ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জন্য সপ্তাহটা ছিল আবেগঘন। কারণ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেনফিকার বিপক্ষে বর্ণবাদী আক্রমণের অভিযোগ করেছিলেন তিনি। আর সেই অভিযোগের পর চতুর্থ ম্যাচে পঞ্চম গোলের দেখা পেলেও হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে তার দল রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার রাতে লা লিগায় ওসাসুনার কাছে ২-১ গোলে হেরে শিরোপা দৌড়ে বার্সেলোনাকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
অপরদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল টানা দুই ম্যাচে হোঁচট খাওয়ায় সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগাল ম্যানচেস্টার সিটি। টানা জয়ের ধারায় এবার নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে হারিয়ে, শীর্ষস্থানের আরও কাছে চলে এলো পেপ গার্দিওয়ালার দল। নিকো ও’রাইলির জোড়া গোলে শনিবার রাতে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ২-১ ব্যবধানে জিতেছে ম্যানসিটি। লিগে টানা তৃতীয় ম্যাচ জিতল তারা।এদিনের এই জয়ে ২৭ ম্যাচ থেকে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে ম্যানসিটি। সমান ম্যাচে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল।
অথচ এই ম্যাচ জিতলে টেবিলের শীর্ষে ব্যবধান পাঁচ পয়েন্ট বাড়ানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু প্রথমার্ধে ৩৮ মিনিটে আন্তে বুদিমিরের পেনাল্টি এবং ম্যাচের শেষদিকে ৯০ মিনিটে রাউল গার্সিয়ার গোল আলভারো আরবেলোয়াকে কোচ হিসেবে ছয় ম্যাচ পর প্রথম লিগ পরাজয়ের স্বাদ দিয়েছে। ৭৩ মিনিটে ভিনিসিয়াস গোল করে সমতা ফিরিয়েছিলেন যদিও। ম্যাচের প্রথমার্ধে তুলনামূলক বাক্সবন্দী ছিলেন ভিনিসিউস। বরং দল ভাগ্যবান ছিল এই কারণে, একাধিকবার গোল হজম করতে হয়নি।
গানারদের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে ম্যানসিটি।
এদিকে, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে থাকা আর্সেনাল থেকে ব্যবধান কমিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। কয়েক দিন আগে উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল। যা সিটিকে শিরোপা দৌড়ে নিজেদের এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। এখন পয়েন্ট ব্যবধান দাঁড়িয়েছে মাত্র দুইয়ে। যা গানারদের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। প্রথমার্ধে নিকো ও’রাইলির জোড়া গোল (১৪ ও ২৭ মিনিট) সিটির জয়ের মঞ্চ গড়ে দেয়। ২২ মিনিটে একটি শোধ দেন হাল।
তার পরও দ্বিতীয়ার্ধে সিটিকে বেশ চাপে রাখে নিউক্যাসল। জয় নিশ্চিত হলেও স্বাগতিক শিবিরে স্বস্তির বাতাস বইতে থাকে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর। কারণ, শেষ মুহূর্তে ইতিহাদে স্নায়ুচাপ ছিল তুঙ্গে। যোগ করা সময়ে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা অসাধারণ এক সেভ না করলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারতো।