প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:২৮ পিএম (ভিজিট : ৬৭৮)

X
অধ্যক্ষ রাবেয়া খাতুন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পর এ ইস্যুতে তৎপরতা বেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের আভাস অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পবিত্র রমজান মাসেই সম্পন্ন হতে পারে।
এ প্রেক্ষাপটে পূর্বধলা উপজেলায় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ রাবেয়া খাতুন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের কারণে তিনি মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকতে পারেন।
রাবেয়া খাতুন একটি রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা অ্যাডভোকেট মৌলভী আকবর আলী পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। কলেজ জীবনে মুমিনুন্নিসা মহিলা কলেজ-এর ছাত্রী সংসদের সম্পাদক ছিলেন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও অংশ নেন।
পরবর্তীতে তিনি তেজগাঁও থানা বিএনপির সদস্য এবং মহিলা দলের তেজগাঁও শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে একই কমিটির সদস্য ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর স্বামী আলহাজ্ব ডা. মোহাম্মদ আলী তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্থানীয়দের মতে, তিনি পূর্বধলা-ধোবাউড়া অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৪ সালে স্বামীর প্রতিষ্ঠিত রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে রাবেয়া খাতুন ২০০৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি কলেজটির গভর্নিং বডির সভাপতি।
নিজের প্রার্থিতা প্রসঙ্গে রাবেয়া খাতুন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলীয় হাই কমান্ড যদি আমাকে উপযুক্ত মনে করে দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমি নিষ্ঠার সঙ্গে তা পালনের চেষ্টা করব। আমার লক্ষ্য থাকবে নারী শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং এলাকার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।”